জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস কর্মসূচির আওতায় আজ রোববার ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা সংশ্লিষ্টরা যুগান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, পূর্ব ঘোষণা অনুসারে আজ সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সি সব শিশুকে একটি করে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। যেসব শিশু বাদ পড়বে তাদের কাল (সোমবার) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল বছরে দুইবার খাওয়াতে হয়। প্রথম রাউন্ড শেষ হলে পর্যায়ক্রমে আগামী ডিসেম্বরে দ্বিতীয় রাউন্ডে ভিটামিন এ প্লাস টিকা দেবে সরকার। দুর্গম অঞ্চলের শিশুদের আজ ২৮ জুনের পর পরবর্তী চারদিন টিকা খাওয়ানো হবে। বিভিন্ন টিকা কেন্দ্র ছাড়াও শিশুদের টিকা খাওয়ানোর জন্য লঞ্চ ঘাট, বাস টার্মিনালসহ মোবাইল ক্যাম্পেইন থাকবে আরও ৫০০টি।

শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে ১৯৭৩ সাল থেকে দেশে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। তখন কর্মসূচিটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সাল থেকে এ কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করার জন্য জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’-কে যুক্ত করা হয়। এরপর ২০০৩ সাল থেকে এটিকে আলাদা কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করা হয়, যার নাম দেওয়া হয় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন।