প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংটাও তেমন ভালো হয়নি। মেহেদী হাসান মিরাজ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন, কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের কেউ ফিফটিও পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংকে ঠিক খারাপও বললেও যেন কম বলা হয়। রীতিমতো ধস—মাত্র ৫৪ রানেই অলআউট!
ডারউইনের মারারা ওভালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিনদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছে ইনিংস ও ৩৮ রানের ব্যবধানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৬৩ রানের জবাবে ৩৫৫ রান করেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ। ৯২ রানের লিড পায় তারা। কিন্তু এই রানও দ্বিতীয় ইনিংসে করতে পারেনি বাংলাদেশ।
গতকাল নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। আজ তৃতীয় ও শেষ দিনে ১৭ ওভারেই বাকি ৮ উইকেট হারায় নাজমুল হোসেনের দল। বাংলাদেশকে রীতিমতো গুড়িয়ে দিয়েছেন বাঁহাতি পেসার ক্যাম্পবেল থম্পসন। ১০ উইকেটের ৮টিই তাঁর, বাকি দুই উইকেট নিয়েছেন অফ স্পিনার কোরি রকিচোলি।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শুধু একজনই নিজের সংগ্রহটা দুই অঙ্কের ঘরে নিতে পেরেছেন। গতকাল অপরাজিত থাকা ওপেনার তানজিদ হাসান ৪১ বল খেলে ২২ রান করেন।
আজ আউট হওয়া ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান মেহেদী হাসান মিরাজের, ১৯ বল খেলে ৬ রান করেন। নাজমুল হোসেন, তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন আউট হন শূন্য রানে। তানজিদ বাদে বাকি সবার স্কোর দেখে মনে হয় যেন মুঠোফোনের নম্বর!
রশিদের ৪৬ বলের অর্ধেকই ‘ডট’, উইকেট ৬টিবাংলাদেশকে ধসিয়ে দেওয়া ২২ বছর বয়সী পেসার থম্পসনের এখনও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়নি। প্রথম শ্রেণির ম্যাচই খেলেছেন দুটি, সেখানে ৩ উইকেট আছে তাঁর। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটেও ২ ম্যাচ খেলে ১ উইকেট আছে। এমন একজনের কাছেই কি না ধরাশায়ী হয়ে গেলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা!
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ: ২৬৩ ও ৫৪ (তানজিদ ২২, সাদমান, ৬, মুমিনুল ৬, মিরাজ ৬, সৌম্য ৫, মুশফিক ২, নাজমুল ০; থম্পসন ৮/২৫, রকিচোলি ২/৬)। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ: ৩৫৫। ফল: ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ ইনিংস ও ৩৮ রানে জয়ী।

১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। মিচেল স্টার্ক–প্যাট কামিন্সদের মুখোমুখি হওয়ার আগে প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিংয়ের এমন রীতিমতো অশনি সংকেত।
হাসানের ৪ উইকেট, অস্ট্রেলিয়ায় বাকি বোলাররা কেমন করলেন







