বাগেরহাট সদর উপজেলায় দখলদারদের অনুরোধে সরকারি খালের বাঁধ অপসারণ না করে সময় দিয়েছে প্রশাসন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে কাড়াপাড়া ইউনিয়নের দেলভাসানি খাল পাড়ের গোমতি নামক এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত হন। পরে স্থানীয় এমপি শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোলাম মো. বাতেন সেখানে পৌঁছান। তবে সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম কাজীর অনুরোধে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দেলভাসানি খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে যান সরকারি কর্মকর্তা ও শ্রমিকরা। শুরুতে খাল না কাটার জন্য অনুরোধ করেন বিএনপি নেতা সেলিম কাজীর নেতৃত্বে কয়েকজন। পরে সেখানে উপস্থিত হন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, ডিসি গোলাম মো. বাতেন। সে সময়ে এই বিএনপি নেতা দাবি করেন, সরকারি খাল আটকে তারা ৫ লাখের বেশি টাকার মাছ ছেড়েছেন। এখন কেটে দিলে তাদের ক্ষতি হয়ে যাবে। পরে এমপি ও ডিসি বাঁধ উচ্ছেদ না করে তাদের ১৫ দিনের সময় দিয়ে চলে যান।
খাল দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বিএনপির এই নেতা জানান, তিনি এই খাল দখল করেননি। আওয়ামী লীগ চলে যাওয়ার পরে এক বছর ধরে ছাত্রদল, যুবদল ও দলীয় লোকজন এই খাল ভোগদখল করছে।
এ বিষয়ে এমপি শেখ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, যারা খাল দখল করে আছে, তারা যেহেতু মাছ ছেড়েছে এবং টাকা বিনিয়োগ করেছে। এসব বিবেচনা এবং কৌশলগত কারণে তাদের ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, খালে যারা বাঁধ দিয়েছে, তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের পর সরকারি খালের এই বাঁধ অবমুক্ত করে দেওয়া হবে।








