বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ব্লকচেইনের ব্যবহার সম্ভাবনাময় বলে জানিয়েছেন আলোচকরা।
শনিবার (১৯ জুলাই) গুলশানে বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএসিসিসিআই) কার্যালয়ে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই) অ্যান্ড ব্লবচেইন: ট্রান্সফরমিং বিজনেস, ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ট্রেড’ শীর্ষক একটি সেমিনারে এ বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
সেমিনারে ব্যবসা, শিল্প, ব্যাংকিং, বাণিজ্য, লজিস্টিকস, উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ব্লকচেইন প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার, সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এআই ব্যবহারে বাড়ছে নির্ভরতা, কমছে চিন্তাশক্তি
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএসিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, এ ধরনের আয়োজন চেম্বারের সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তবধর্মী ধারণা দেবে। পাশাপাশি তাদের ব্যবসায় উদ্ভাবন, দক্ষতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খন্দকার আতিক-ই-রাব্বানী। তিনি ব্যবসা, শিল্প-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের বর্তমান ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
উপস্থাপনার পর অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা ব্যাংকিং, বাণিজ্য, লজিস্টিকস, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
আরও পড়ুনকৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার
সেমিনারে বিএসিসিসিআই সেক্রেটারি জেনারেল, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, চেম্বারের সদস্য, ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃত্ব, গণমাধ্যমকর্মী এবং অন্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা ব্যবসা-শিল্পে প্রযুক্তির কার্যকর ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশে এআই ও ব্লকচেইনের বিস্তৃত প্রয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
সেমিনার শেষে বিএসিসিসিআই ভবিষ্যতেও উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ে এ ধরনের জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রেখে বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদারে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
এএসএ








