বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই দলই শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করেছে কঠিন লড়াই পেরিয়ে। তবে সেমিফাইনালের আগে শারীরিক অবস্থার দিক থেকে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ইংলিশরা। কারণ নকআউট পর্বে সমানভাবে অতিরিক্ত সময় খেললেও আর্জেন্টিনার ওপর দিয়ে গেছে তুলনামূলক বেশি ধকল।

কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পেরোতে দুই দলকেই ৯০ মিনিটের বেশি সময় মাঠে থাকতে হয়েছে। তবে ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল এই বিশ্বকাপে প্রথম অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ। নরওয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের লড়াই শেষে অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় তারা।

অন্যদিকে, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে নকআউট পর্বে এরই মধ্যে দুটি ম্যাচে অতিরিক্ত সময় খেলতে হয়েছে। সেরা ৩২-এ কেপ ভার্দের বিপক্ষে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ম্যাচের নিষ্পত্তি না হওয়ায় বাড়তি সময় খেলতে হয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের।

সেমিফাইনালের আগে মাঠে কাটানো সময়, শারীরিক চাপ এবং পুনরুদ্ধারের (রিকভারি) সময়ের হিসাব—সবদিক থেকেই কিছুটা চাপে রয়েছে আর্জেন্টিনা। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশ্রামের সময়ের ব্যবধানও। ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনার তুলনায় কয়েক ঘণ্টা আগেই কোয়ার্টার ফাইনাল শেষ করেছে, যা সেমিফাইনালের আগে বাড়তি বিশ্রামের সুযোগ দিচ্ছে একবারের চ্যাম্পিয়নদের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির প্রধান চিন্তা কৌশল নির্ধারণের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের দ্রুত শারীরিকভাবে প্রস্তুত করে তোলা।

মাঠের ক্লান্তিতে পিছিয়ে থাকলেও ভ্রমণের দিক দিয়ে ইংল্যান্ডের ওপরই সবচেয়ে বেশি ধকল গেছে। চলতি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠা চার দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করেছে থ্রি লায়ন্সরা। পুরো টুর্নামেন্টে আকাশপথে প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়েছে হ্যারি কেইনদের।