ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের হেগেমের করা গোলটি দ্বিতীয়ার্ধের নবম মিনিটে বাতিল করে দেন রেফারি ক্লেমেন্ত তারপিন। কারণ, কর্নার নেওয়ার আগেই ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসনের ওপর ফাউল করেছিলেন আরলিং হালান্ড।
পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী, বল খেলায় না থাকলে এমন ফাউল গোল বাতিলের কারণ হতো না। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে কার্যকর হওয়া ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি)-এর নতুন আইনে এই ধরনের পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত বদলে গেছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কর্নার, ফ্রি-কিক বা পেনাল্টি নেওয়ার আগে বল খেলায় আসার আগেই যদি কোনো খেলোয়াড় এমন ফাউল করেন, যা পরবর্তী গোল বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় সরাসরি প্রভাব ফেলে, তাহলে ভিএআর রিভিউয়ের মাধ্যমে গোল বাতিল করে সেট-পিসটি পুনরায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া যাবে।
ঠিক সেটাই হয়েছে ইংল্যান্ড-নরওয়ে ম্যাচে। ভিএআর-এর পরামর্শে রেফারি গোল বাতিল করেন এবং কর্নারটি আবার নিতে বলেন। পুনরায় নেওয়া কর্নার থেকে হালান্ড হেড করলেও বল ইংল্যান্ডের দখলেই চলে যায়।
ব্রাজিলের সাবেক আন্তর্জাতিক রেফারি ও বিশ্লেষক পিসি দে অলিভেইরা এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন। তার ভাষায়, ‘বল খেলায় আসার আগেই আক্রমণকারী দলের কোনো ফাউল যদি গোলে সরাসরি প্রভাব ফেলে, তাহলে ভিএআর রিভিউয়ের মাধ্যমে গোল বাতিল করে কর্নার বা ফ্রি-কিক পুনরায় নেওয়াই নিয়ম। ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ব্লক করার প্রবণতা ঠেকাতেই এই আইন আনা হয়েছে।’
২০২৬ বিশ্বকাপে এই প্রথম কোনো গোলের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মটি প্রয়োগ করা হলো।
আরআর/আইএন








