বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও আরলিং হালান্ড। ক্লাব ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে একাধিক হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে মুখোমুখি হওয়া এই দুই তারকা এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে একে অপরের বিপক্ষে খেলতে নামছেন।
ক্লাব পর্যায়ে হালান্ডের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ভিনিসিয়ুস। রিয়াল-ম্যানসিটির আট দেখায় চার জয়ের সাক্ষী এই উইঙ্গার। দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। বাকি ম্যাচ দুটিতে হেরেছে মাদ্রিদের প্রতিনিধিরা। এই আট ম্যাচে ভিনিসিয়ুস সরাসরি আট গোলে অবদান রেখেছেন—তিনটি গোল ও পাঁচটি অ্যাসিস্ট। অন্যদিকে রিয়ালের বিপক্ষে এই আট ম্যাচে চারবার জালের দেখা পেয়েছেন হালান্ড।
২০২২-২৩ মৌসুমে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে হওয়া চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ১-১ ড্র করে রিয়াল-ম্যানসিটি। সে ম্যাচে দারুণ এক গোল করেন ভিনিসিয়ুস। ফিরতি লেগে ৪-০ ব্যবধানে জিতে ম্যানসিটি ফাইনালে উঠলেও সেই ম্যাচে গোল পাননি হলান্ড। রিয়ালের কাছে টাইব্রেকারে হেরে পরের মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয় ম্যানসিটি। সে ম্যাচে এই দুই ফরোয়ার্ডের কেউই গোল করতে পারেননি।
চ্যাম্পিয়নস লিগের ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্লে-অফে ম্যানসিটিকে ৩-২ গোলে হারায় রিয়াল। দল বিদায় নিলেও সে ম্যাচে দুটি গোল করেন হালান্ড। সবশেষ মৌসুমের লিগ পর্বে রিয়ালের বিপক্ষে সিটিজেনদের ২-১ গোলের জয়ে একবার স্কোরশিটে নাম লেখান এই স্ট্রাইকার।
তবে শেষ ষোলোতে রিয়ালের দাপুটে পারফরম্যান্সের সামনে দাঁড়াতে পারেনি ম্যানসিটি। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ গোলের বড় জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় লা লিগার প্রতিনিধিরা। প্রথম লেগে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয় লেগে ইতিহাদ স্টেডিয়ামেও ২-১ ব্যবধানে জয় পায় রিয়াল, যেখানে সফরকারীদের হয়ে দুটি গোলই করেন ভিনিসিয়ুস। হালান্ড একটি গোল করলেও তা স্বাগতিকদের হার এড়াতে যথেষ্ট ছিল না।
বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ফর্মে আছেন হালান্ড ও ভিনিসিয়ুস। এখন পর্যন্ত এই দুজন করেছেন যথাক্রমে ৪ ও ৫ গোল। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে তাঁরা দুজনই গোল্ডেন বুট জেতার লড়াইয়ে টিকে আছেন।








