ভোরের আজান তখনও শেষ হয়নি। পুরান ঢাকার অধিকাংশ মানুষ যখন ঘুমিয়ে, তখনই বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে শুরু হয়ে যায় এক ভিন্ন ব্যস্ততা। দেশের দক্ষিণাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল থেকে ট্রাকে, আবার স্থলবন্দর ও সমুদ্রবন্দর হয়ে আসা আমদানিকৃত একের পর এক ফলের চালান এসে পৌঁছাতে থাকে বাদামতলীতে। অন্ধকার ভেদ করে হেডলাইট জ্বালিয়ে ফলবোঝাই ট্রাক ঢুকে পড়ছে বাজারে, শ্রমিকরা কাঁধে করে নামাচ্ছেন কার্টন, বাঁশের ঝুড়ি আর প্লাস্টিকের ক্রেট। কোথাও চলছে নিলামের হাঁকডাক, কোথাও হিসাবের খাতা হাতে আড়তদার ব্যস্ত দিনের প্রথম বিক্রি নিয়ে।

বলা হচ্ছে দেশের ফল অর্থনীতির এক বিশাল বাজার পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের বাদামতলী ফলের বাজার সম্পর্কে। যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার টন ফল ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার বাজারে।

সরেজমিনে বাদামতলী থেকে ওয়াইজঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ঢলও বাড়তে থাকে। বাজারের প্রধান সড়ক, অলিগলি, মার্কেটের করিডর—সব জায়গায় শুধু ফল আর ফল। লাল আপেল, সবুজ আঙুর, হলুদ মাল্টা, রসালো আম, সুগন্ধি কাঁঠাল, মিষ্টি লিচু, আনারস, তরমুজ—রঙের এক বর্ণিল সমাহার।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাদামতলী এখন শুধু ঢাকার নয়, পুরো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফলের পাইকারি বাজার। প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার পাইকার, খুচরা ব্যবসায়ী ও ক্রেতার সমাগম ঘটে এখানে। সপ্তাহের সাত দিনই খোলা থাকে বাজার। নেই কোনো সাপ্তাহিক ছুটি।

বুড়িগঙ্গার তীরে ফলের সাম্রাজ্যকাভার্ড ভ্যানে এসেছে আমদানিকৃত ফল। চলছে নিলাম। পুরান ঢাকার বাদামতলী থেকে তোলা, ছবি: জাগো নিউজ  

বাদামতলীর ইতিহাস

বাদামতলীর ইতিহাস সম্পর্কে বাংলাপিডিয়ায় বলা হয়েছে, ১৯৩৫ সালে হাসান আলী ঢালি এবং অপর চার-পাঁচজন ব্যবসায়ী মিলে এই স্থানটিতে ফলের পাইকারি ব্যবসা শুরু করেন। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত স্থানীয় মৌসুমি ফল এবং পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য কিছু ফল এখানে বিক্রি হতো। স্বাধীনতার পর এ বাজারটির অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। প্রচুর পরিমাণে নতুন ব্যবসায়ী ফল ব্যবসায়ের জন্য এ বাজারে আসা শুরু করেন এবং দিনে দিনে বাজারটির আয়তন বৃদ্ধি পেতে থাকে। বর্তমানে এ বাজারে প্রায় ২৫০টি আড়তদার কেনা-বেচা করছেন।

এখানে বিভিন্ন জাতের স্থানীয় এবং আমদানিকৃত ফল বিক্রি হচ্ছে। আমদানিকৃত ফলের সর্ববৃহৎ উৎস ভারত। সেখান থেকে আসা ফলের মধ্যে রয়েছে কমলা, আপেল, আঙুর, ডালিম এবং আম। ফল আমদানির অন্য উৎসগুলো হলো ভুটান (কমলা), দুবাই (খেজুর, কিশমিশ, আখরোট, পেস্তাবাদাম এবং মোনাক্কা) এবং পাকিস্তান (আঙুর)। অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা থেকে প্রচুর পরিমাণে আপেল আমদানি করা হয়। ভারত এবং ভুটান থেকে প্রধানত ট্রাকের মাধ্যমে আমদানি করা হয় এবং অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা হয় জাহাজ ও আকাশ পথে।

অতীতে বাদামতলী ফলের বাজারে গুদাম ঘরের সুবিধা ছিল না। বর্তমানে বাদামতলী, টিকাটুলি এবং মুন্সিগঞ্জে কোল্ড স্টোরেজ প্লান্ট স্থাপনের ফলে এ অবস্থার বিপুল উন্নতি সাধিত হয়েছে। এই বাজারে ফলের ব্যবসায় পাইকারি ভিত্তিতে হয়ে থাকে। সাধারণত আপেল বাক্সের (প্রতি বাক্স ২০ কেজি) ভিত্তিতে, আঙুর কার্টুনের (প্রতি কার্টুন ৪ কেজি) ভিত্তিতে এবং অন্যান্য ফল কেজির ভিত্তিতে বিক্রি হয়। এই বাজারে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই কোটি টাকার ফল বিক্রি হয় বলে বাংলাপিডিয়ায় বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

অর্ধেক দামে ফল মেলে ঢাকার যে বাজারে

ফলের উৎপাদন বেড়ে কমেছে আমদানি, স্থবির রপ্তানি

৪৫০০ দোকানের বিশাল নেটওয়ার্ক

ব্যবসায়ীদের হিসাবে, বাদামতলী, ওয়াইজঘাট ও আশপাশের এলাকাজুড়ে প্রায় চার থেকে সাড়ে চার হাজার ফলের দোকান ও আড়ত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই পাইকারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

এরমধ্যে আলফেসানী (রা.) মার্কেটে মূলত মৌসুমি ফলের আধিক্য দেখা যায়। বর্তমানে সেখানে আম, লিচু, কাঁঠাল ও আনারসের বিশাল মজুত রয়েছে।

মদিনা কমপ্লেক্সে গেলে চোখে পড়ে বিভিন্ন জাতের খেজুরের সারি। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান ও তিউনিসিয়ার খেজুরের পাশাপাশি বিভিন্ন শুকনো ফলও বিক্রি হচ্ছে সেখানে। রমজান মাসে এই অংশটি সবচেয়ে বেশি জমজমাট হয়ে ওঠে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে হাজী আফসার করিম সুপার মার্কেটে দেশি-বিদেশি ফলের পাশাপাশি প্যাকেটজাত ফল, ফলের জুস, শুকনো ফল ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যেরও দেখা মেলে।

বুড়িগঙ্গার তীরে ফলের সাম্রাজ্যবাদামতলীতে বসেছে আমের পসরা, ছবি: জাগো নিউজ

মৌসুমভেদে চিত্র বদলায়, আসে দেশের নানা ফল

দেশীয় ফলের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে আম। পাশাপাশি কাঁঠাল, আনারস, লিচু, তরমুজ, পেয়ারা ও কলার চাহিদাও বেশ।

ব্যবসায়ীরা জানান, মৌসুমভেদে বাজারের চিত্র বদলে যায়। গ্রীষ্মে আম-কাঁঠাল-লিচুর দাপট, বর্ষায় আনারস ও পেয়ারা, শীতে কমলা, মাল্টা, আপেল ও আঙুরের চাহিদা বাড়ে। আর রমজান এলেই খেজুরকেন্দ্রিক বাণিজ্য কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

সরেজমিনেও এই চিত্র দেখা যায়। বেশির ভাগ দোকানে এখন দেশি মৌসুমি ফলের পসরা।

বাদামতলীর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর বৈচিত্র্য। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের ফল আমদানি হয়ে আসে এই বাজারে।

ভারত থেকে আসে আপেল, আঙুর ও ডালিম। চীন থেকে আসে নাশপাতি ও বিভিন্ন জাতের আপেল। দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড, তুরস্ক, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও নিয়মিত ফল আসে।

বুড়িগঙ্গার তীরে ফলের সাম্রাজ্যহাজারো মানুষের রুটি-রোজগারের ব্যবস্থা করেছে বাদামতলী, ছবি: জাগো নিউজ

ভোরের বাজার, হাজারো মানুষের জীবিকা

বাদামতলী হাজারো মানুষের জীবিকার কেন্দ্র। এখানে আড়তদার, আমদানিকারক, পরিবহন শ্রমিক, ভ্যানচালক, ট্রলার শ্রমিক, গুদামকর্মী, প্যাকেটিং শ্রমিক, হিসাবরক্ষক ও খুচরা ব্যবসায়ীসহ অসংখ্য মানুষ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যুক্ত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিদিন এই বাজার থেকে কোটি কোটি টাকার ফল দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুরসহ সব অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাদামতলীর নিয়মিত বাণিজ্যিক যোগাযোগ রয়েছে।

ভোর ৫টার পর থেকেই বাদামতলীতে ভিড় বাড়তে থাকে। একদিকে ট্রাক থেকে ফল নামে, অন্যদিকে সেগুলো দ্রুত বিভিন্ন আড়তে পৌঁছে দেন শ্রমিকরা। কেউ কার্টন বহন করেন, কেউ ওজন মাপেন, কেউ আবার হিসাব লেখেন।

আরও পড়ুন

ফল রপ্তানিতে বড় বাধা বিমান ভাড়া, প্রয়োজন অবকাঠামো উন্নয়ন

ফল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ সারিতে, প্রক্রিয়াজাতকরণে নেই গতি

নরসিংদী থেকে ফল কিনতে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী আবদুল করিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন এখানে আসি। এক জায়গায় সব ধরনের ফল পাওয়া যায়। ভোরে এলে ভালো মানের ফল বেছে নেওয়া যায়।’

গাজীপুরের সোহেল রানা বলেন, ‘আমরা এখান থেকে ফল কিনে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করি। পাইকারি দামে কেনার সুযোগ থাকায় ব্যবসা পরিচালনা সহজ হয়।’

‘এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসে। নতুন ব্যবসায়ীও নিয়মিত যুক্ত হচ্ছেন। বাজারের আকার প্রতি বছর বাড়ছে।’ বলছিলেন মুন্সীগঞ্জের নাজমুল হোসেন।

 

বুড়িগঙ্গার তীরে ফলের সাম্রাজ্যমানুষের প্রাণ-চাঞ্চল্যে মুখর থাকে বাদামতলী, ছবি: জাগো নিউজ

অলিগলিতে জীবন্ত এক অর্থনীতির গল্প

বাদামতলীর সরু গলিতে হাঁটলে বোঝা যায়, এটি ফলের বাজারের সঙ্গে একটি জীবন্ত অর্থনীতির প্রতিচ্ছবি। কোথাও ট্রলিতে করে ফল যাচ্ছে, কোথাও বাক্স খুলে মান যাচাই করছেন ক্রেতারা, কোথাও শ্রমিকরা বিশ্রামের ফাঁকে চা খাচ্ছেন। আবার বুড়িগঙ্গার ঘাটে দেখা যায় ট্রলার থেকে ফল ওঠানামার দৃশ্য।

পুরান ঢাকার ঐতিহ্য, নদীকেন্দ্রিক বাণিজ্য, আধুনিক আমদানি ব্যবস্থা এবং হাজারো মানুষের শ্রম—সবকিছু মিলিয়ে বাদামতলী আজ দেশের ফল অর্থনীতির এক অনিবার্য নাম।

ভোরের অন্ধকার থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই বাজার যেন কখনও থামে না।

খুচরা ক্রেতাদেরও পছন্দ

যদিও বাদামতলী মূলত পাইকারি বাজার, তবুও খুচরা ক্রেতাদের উপস্থিতি কম নয়। অনেকেই মাসিক বা সাপ্তাহিক প্রয়োজনের ফল কিনতে সরাসরি আড়তে চলে আসেন।

আরও পড়ুন

ফল উৎপাদন-প্রবৃদ্ধিতে দৃষ্টান্ত গড়ছে বাংলাদেশ

স্থলবন্দরে নিষেধাজ্ঞা: প্রক্রিয়াজাত ফল রপ্তানিতে ক্ষতি

ধানমণ্ডি থেকে ফল কিনতে এসেছিলেন শারমিন আক্তার। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘খুচরা বাজারের চেয়ে এখানে দাম কিছুটা কম। একসঙ্গে বেশি কিনলে আরও সুবিধা পাওয়া যায়।’

লালবাগের বাসিন্দা মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘এখানে টাটকা ফল পাওয়া যায়। আড়ত থেকে সরাসরি কিনি বলে মান নিয়েও সন্তুষ্ট।’

‘মাসে একবার এখানে এসে পরিবারের জন্য ফল কিনি। দাম ও মান দুটোই ভালো পাই।’ বলছিলেন কেরানীগঞ্জ থেকে আসা নাসিমা বেগম।

যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা মো. রাসেল হোসেন বলেন, ‘যারা ফলের ব্যবসা করেন না, তারাও এখানে এলে বুঝতে পারবেন দেশের ফল বাণিজ্য কত বড়।’

বুড়িগঙ্গার তীরে ফলের সাম্রাজ্যবাদামতলীতে শুকনো ফলের দোকান, ছবি: জাগো নিউজ

ব্যবসার প্রকৃত আকার নিয়ে নীরবতা

দেশের সবচেয়ে বড় ফলের পাইকারি বাজার হিসেবে পরিচিত হলেও বাদামতলীর প্রকৃত আর্থিক আকার নিয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রকাশিত পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

এই প্রতিবেদক বাজারটির দৈনিক ও বার্ষিক লেনদেন, ফল আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ এবং সামগ্রিক ব্যবসার আকার সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা করেন। তবে ব্যবসায়ীরা জানান, এ ধরনের তথ্য সাধারণত প্রকাশ করা হয় না। কোনো কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ বা প্রকাশিত বার্ষিক হিসাবও নেই।

তবে বাজার সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রতিদিন হাজার হাজার পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীর উপস্থিতি, শত শত ট্রাক ও ট্রলারে ফল আসা-যাওয়া এবং হাজারো আড়তের নিয়মিত বেচাকেনার কারণে এখানে বিপুল অঙ্কের অর্থের লেনদেন হয়।

আরও পড়ুন

ইতিহাস বদলানোর নেপথ্যে যেসব ফল

দেশে উৎপাদিত ফলের অর্ধেকই আম-কাঁঠাল-কলা

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মৌসুমভেদে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকারও বেশি ফল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। যদিও এই দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা পূর্ণাঙ্গ কোনো সরকারি বা বেসরকারি পরিসংখ্যান তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ী তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন।

যেমন মদিনা কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ী মো. জসিম উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ফল বিক্রি হয়।’

কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আড়তের বিক্রির তথ্য প্রকাশ করতে ব্যবসায়ীরা আগ্রহী নন।

বুড়িগঙ্গার তীরে ফলের সাম্রাজ্যবাদামতলীতে সড়ক জুড়ে ফল বিক্রি করেন পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা, ছবি: জাগো নিউজ 

হাজী আফসার করিম সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে ব্যবসা শুরু করতে আসেন। পুরোনো ব্যবসায়ীরাও ব্যবসা বাড়াচ্ছেন। ফলে বাজারের পরিধি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

আলফেসানী (রা.) মার্কেটের আড়তদার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, আমের মৌসুমে সবচেয়ে বেশি চাপ থাকে। তখন রাত থেকেই ট্রাক আসা শুরু হয়। সকাল হওয়ার আগেই বাজার জমে ওঠে।

ওয়াইজঘাট ফল ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য মফিজুর রহমান বলেন, নির্দিষ্ট দোকানভেদে কত টাকার বেচাকেনা হয়, সেটা কেউ প্রকাশ করতে চান না। বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন থাকলেও তারা যৌথভাবে আমদানি, বিক্রি বা ব্যবসার পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যানও প্রকাশ করে না। তবে এটুকু বলা যায়, দেশের ফল ব্যবসার সবচেয়ে বড় অংশ এই বাজারকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হয়। 

এমডিএএ/এমএমএআর