অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা প্রধান ভূমিকা রাখতে পারেন বলে উল্লেখ করেছেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস।
রোববার (২৮ জুন) ঢাকার ফুলার রোডে ব্রিটিশ কাউন্সিল মিলনায়তনে অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মোবাইল ফোন অপারেটর রবি, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ যৌথভাবে এই পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে স্টিফেন ফোর্বস বলেন, মানুষের ক্ষমতায়নের চিন্তা নিয়ে রবি আমাদের কাছে এসেছে। রবির সঙ্গে আমরা এই বিনিয়োগে অংশগ্রহণ করছি, যা গণমাধ্যমকর্মীদের সক্ষমতা বাড়াবে এবং একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।
অনুষ্ঠানে রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জিয়াদ সাতারা বলেন, রবি বিশ্বাস করে যে জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষকে ক্ষমতায়ন করা সম্ভব। আমাদের ‘অ্যাডভান্সিং ডিজিটাল সোসাইটি’ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো মানুষের জন্য এমন সুযোগ তৈরি করা, যেন তারা ডিজিটাল অর্থনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে।
ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে ক্রমাগত শেখার সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ সাংবাদিকদের শুধু দক্ষতা বৃদ্ধি করে না, বরং পরিবর্তনশীল গণমাধ্যম পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং জনগণের সঙ্গে বোঝাপড়া বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার ব্যারিস্টার সাহেদ আলম, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ডিরেক্টর শরীফ শাহ জামাল রাজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব মার্কেট জুনায়েদ আহমেদ, ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল ও রবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বিশেষায়িত এ প্রশিক্ষণে অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকরা অংশ নেন। এতে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা, যোগাযোগ কৌশল এবং বাস্তব সাংবাদিকতায় এসব দক্ষতার কার্যকর প্রয়োগের বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি আধুনিক গণমাধ্যমের পরিবর্তনকে প্রভাবিত করছে, এমন সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কেও অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেওয়া হয়।
আইএইচও/এমকেআর








