ভোলায় চাঁদা না দেওয়ায় জনসম্মুখে জুতার মালা পরিয়ে এক নারীসহ দুজনকে হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা তজুমদ্দিন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও হেনস্তার শিকার দুজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় দুলাল প্রধানের ছেলে সজিব ভুক্তভোগী মাহে আলম মাঝির কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। তবে তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। এতে ক্ষিপ্ত হন সজিব ও তার বাহিনী। তারা মাহে আলমকে হুমকি দেন। সোমবার সকালে স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য নুরসাদ বেগমের বাড়িতে তার স্বামী শহীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কথা বলতে যান। কিন্তু তিনি বাড়িতে ছিলেন না। এজন্য সেখানে অপেক্ষা করছিলেন।

এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় তাসনুর বেগম নামের এক নারী ওই বাড়িতে যান নারী ইউপি সদস্যের স্বামীর কাছ থেকে টাকা ধার নিতে। ওই সময় সজিবের নেতৃত্বে তার ভাই রাকিবসহ তাদের অনুগতরা ওই দুজনকে ধরে টেনেহেঁচতে আনন্দ বাজারে নিয়ে আসেন। সেখানে এনে অনৈতিক কার্যকলাপের অপবাদ দিয়ে শত শত মানুষের সামনে জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তা করেন তারা।

এ বিষয়ে তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানির রহমান বলেন, ভুক্তভোগীদের একজন মাহে আলম মাঝি মামলা করেছেন। প্রধান অভিযুক্ত সজিবসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

জুয়েল সাহা বিকাশ/এসআর/জেআইএম