চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই সড়কে মাছ, বরফ ও গ্যাস সিলিন্ডার রেখে জেলেরা বিক্ষোভ করেছেন। শনিবার নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন রানী রাশমনি ঘাটে আয়োজিত মানববন্ধনে এমনটাই দাবি করেন চসিকের সাবেক ইজারাদার দিদারুল ফেরদৌস ও আনোয়ার হোসাইন এরশাদ। এতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের পাঁচশ’ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় চট্টগ্রাম-১০ আসনের আওয়ামী লীগের প্রয়াত সংসদ-সদস্যের ভাই এরশাদুল আমীন এবং তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে দিদারুল ফেরদৌস বলেন, ২৩ এপ্রিল চসিকের রাজস্ব বিভাগের এক অফিস আদেশে রানী রাশমনি ঘাট থেকে বাংলা সনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য আমাকে এবং আনোয়ার হোসেন এরশাদকে খাস কালেকশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এই ঘাট ১৭ বছর ধরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ-সদস্যের ভাই এরশাদুল আমীনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ কারণে আমরা এখান থেকে খাস কালেকশন করতে পারিনি। ফলে ২৫ মে চসিক সেই অফিস আদেশ বাতিল করে। এই সুযোগটিই কৌশলে কাজে লাগিয়েছে স্থানীয় জেলেরা। মূলত এখানকার জেলেদের নিয়ন্ত্রণ করছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের নেতৃবৃন্দরা। তাদেরই মাসোয়ারা দিচ্ছেন তারা।
আনোয়ার হোসাইন এরশাদ বলেন, রানী রাজমনি ঘাটের নিয়ন্ত্রণ এখনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের হাতেই রয়েছে। তাদের নেতৃত্বেই এই ঘাটে প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্য হচ্ছে।
এর আগে বুধবার খাস কালেকশন ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে রানী রাসমনি ঘাটের জেলেরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছিলেন।





