ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার হিজলি গ্রামে ছাদবাগানে আনার চাষ করে বাজিমাত করেছেন প্রবাসফেরত যুবক মনোজিত বিশ্বাস। শখের বশে শুরু করা এই বাগানে ফলন ভালো হওয়ায় তিনি এখন বাণিজ্যিকভাবে আনার চাষের পরিকল্পনা করছেন।দীর্ঘদিন বিদেশে কর্মজীবন শেষে দেশে ফিরে বাড়ির ছাদে আনার চাষ শুরু করেন মনোজিত। বর্তমানে তার বাগানে অস্ট্রেলিয়ান বিগ, থাই, রিমন, মেক্সিকান ও মৃদুলাসহ ১১টি জাতের মোট ৩৩টি আনার গাছ রয়েছে। সরেজমিনে বাগান ঘুরে দেখা যায়, লালচে-গোলাপি আনারে নুয়ে পড়েছে গাছের ডাল। কোথাও পাকা ফলের ভার, আবার কোথাও ফুটে আছে টকটকে লাল ফুল। সবুজ পাতার ফাঁকে ঝুলে থাকা আনার আর লাল ফুলের মেলবন্ধনে পুরো ছাদজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।এবার গাছগুলোতে দ্বিতীয়বারের মতো ফল ধরেছে। প্রতিটি গাছে গড়ে ২০ থেকে ২৫টি করে আনার শোভা পাচ্ছে। ছাদবাগানটির এমন রূপ দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভিড় করছেন।মনোজিত বিশ্বাস বলেন, “বিদেশে থাকাকালীন আধুনিক ফল চাষের পদ্ধতি দেখে দেশে ফিরে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। শুরুতে অল্প কয়েকটি গাছ দিয়ে বাগান শুরু করলেও ভালো ফলন পাওয়ায় ধীরে ধীরে বিভিন্ন জাত সংগ্রহ করি। নিয়মিত পরিচর্যা, সঠিক সার ও সেচ দেওয়ায় এবারও ভালো ফলন পেয়েছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আনার চাষের পরিকল্পনা আছে।”হরিণাকুণ্ডু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মনোজিত বিশ্বাসকে নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ পারিবারিক পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিষমুক্ত ফল উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অব্যবহৃত জায়গা উৎপাদনশীল করে তোলার এই উদাহরণ অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।/
রাজনীতি
ছাদবাগানে আনার চাষে প্রবাসফেরত যুবকের সাফল্য

শেয়ার করুন







