লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আড়াই বছর আগে অপহরণ মামলা করার পর থেকে দফায় দফায় হামলা চালানো হচ্ছে এক ব্যবসায়ী পরিবারের ওপর। একই সঙ্গে রয়েছে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও। সবশেষ ওই ব্যবসায়ীর বাবাকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে অচেতন অবস্থায় ফেলে রাখে সংঘবদ্ধ চক্র। এতে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার মান্দারী বাজারের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন এসব অভিযোগ করেন। এ সময় ঘটনার প্রতিকার ও বিচার দাবি জানান তিনি। ইকবাল দক্ষিণ মান্দারী গ্রামের মো. মহসিনের ছেলে। তিনি পেশায় ঠিকাদার ও ঢাকায় থাই গ্লাসের ব্যবসায়ী। ইকবাল অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালে তিনি বাড়ি নির্মাণের সময় স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী বাহিনী চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেওয়ায় একই বছরের ৩১ জানুয়ারি তাকে মোহনের নেতৃত্বে কৌশলে নোয়াখালীর সুধারাম থানার উদয় সাধুরহাট এলাকায় নিয়ে যায়। পরে তাকে জুয়েলের নেতৃত্বে আটক ও নির্যাতন করে পরিবারের কাছে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এতে বিকাশের মাধ্যমে এক লাখ ও নগদ এক লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে। ওই এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা তাকে নির্জন স্থানে হাত-পা বেঁধে সটকে পড়ে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি উদ্ধার হয়ে সেখান থেকে লক্ষ্মীপুরে আসেন।
এ ঘটনায় সুধারাম থানায় মামলা করেন ইকবাল। দীর্ঘ তদন্ত শেষে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. অহিদ মুরাদ ওই বছরের ১ জুলাই জুয়েলকে প্রধান করে মোহন, ইউসুফ, মমিন উল্যাহ, সজিব ও ফাহাদের নামে তদন্ত প্রতিবেদন দেন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। অভিযুক্তরা হলেন-মান্দারি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদনগর গ্রামের জাহাঙ্গীর ও মোহন এবং ৫নং ওয়ার্ডের জুয়েল।








