মনপুরার পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে এক কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বুধবার সকালে অর্থ আত্মসাৎ ও সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আজাদুর রহমান। এদিকে ওই ঘটনায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের উপকারভোগী সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। জানা যায়, লালমোহন ও মনপুরা উপজেলার পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পে দায়িত্ব থাকাকালীন অভিযুক্ত কামরুজ্জামান বিভিন্ন সমিতি ও সদস্যদের ঋণের অর্থ, আদায়কৃত কিস্তি এবং প্রকল্পের হিসাবভুক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেন। তিনি লালমোহনে কর্মরত অবস্থায় বিভিন্ন সমিতি থেকে মোট ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে জানা যায়। পরে মনপুরায় বদলি হয়ে আসার পর মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দল থেকে প্রায় ৬১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এমনকি প্রকল্পের আয় অপেক্ষা অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। অভিযুক্ত কামরুজ্জামান জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকার ২০২৫ সালের জুন মাসে মনপুরা থেকে বদলি হয়ে যান। তার দায়িত্বাধীন ব্লকের বেশ কিছু ঋণ এখনো অনাদায়ী রয়েছে। সেই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মাহে আলম জানান, কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত চলছে।








