প্রায় দেড় দশক আগে দায়ের হওয়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রফিকুল আমিনকে নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গ্রাহকের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ১২ বছর কারাভোগের পর গত বছরের ১৫ জানুয়ারি মুক্তি পান রফিকুল।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টার পর তিনি দুদকে প্রবেশ করেন। বিকাল ৩ টানপর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের উর্ধতন সূত্র বিষয়টি জানিয়েছে । আরও জানা গেছে, কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে রফিকুল আমীন তার বক্তব্য দেন। তার বিরুদ্ধে থাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, রফিকুল আমিনকে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তলব করা হয়েছিল। তলবের পর তার বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে।
এর আগে, ২০১২ সালে রফিকুল আমিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান শুরু হয়। সে সময় সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় তার বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর সেই অভিযোগের অনুসন্ধান আবারও সক্রিয় করেছে সংস্থাটি। ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের বৃক্ষরোপণ প্রকল্প ও মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ বিনিয়োগকারীর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করেছিল দুদক।
একই অভিযোগে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের সাবেক পরিচালক গোফরানুল হক ও তৈয়বুর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। তবে, নির্ধারিত দিনে তারা দুদকে হাজির হননি বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
অন্যদিকে, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদকেও মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল। তবে তিনিও নির্ধারিত সময়ে দুদকে উপস্থিত হননি। ফলে তার বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কমিশন পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে।
এসএম/এএমএ








