গত ২৪ জুনের ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের দুই সপ্তাহ পরও ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় রাজ্য লা গুয়ারায় চলছে উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখনো খোঁজা হচ্ছে নিখোঁজ মানুষদের। হাসপাতালের সামনে স্বজনের অপেক্ষায় কাটছে অসংখ্য পরিবারের সময়। জাতিসংঘ পরিচালিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বেঁচে যাওয়া অনেকে। সর্বশেষ সরকারি তথ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৮৫; আহত প্রায় ১৭ হাজার। শোক, প্রিয়জনের অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও সহমর্মিতার কিছু মুহূর্ত ধরা পড়েছে আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায়:

টানা উদ্ধার অভিযানের ফাঁকে নিজের উদ্ধার সরঞ্জামের পাশে বিশ্রাম নিচ্ছেন এক উদ্ধারকর্মী। ৭ জুলাই ২০২৬
রাতের অন্ধকারে হেডল্যাম্পের আলোয় ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ মানুষের সন্ধানে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা। ৭ জুলাই ২০২৬
হোসে মারিয়া ভার্গাস স্পোর্টস কমপ্লেক্সে জাতিসংঘ পরিচালিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। ৭ জুলাই ২০২৬
জাতীয় পতাকার পাশে দাঁড়িয়ে ভারী যন্ত্র দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ দেখছেন এক ব্যক্তি। ৬ জুলাই ২০২৬
কারাবাইয়েদায় ধসে পড়া একটি ভবনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক নারী। ৭ জুলাই ২০২৬
ধসে পড়া পাশাপাশি ভবনের মাঝখান থেকে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে নিচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ৭ জুলাই ২০২৬
টানা উদ্ধার অভিযানের ফাঁকে ধ্বংসস্তূপের ওপর বসেই বিশ্রাম নিচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ৭ জুলাই ২০২৬
অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে মুঠোফোন দেখছেন ১৯ বছর বয়সী এলিয়ানা গার্সিয়া। তাঁর কোলের শিশু গেল জেসুসের জন্ম হয়েছে ভূমিকম্পের এক দিন পর। ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও নতুন জীবনের প্রতীক যেন এই নবজাতক। ৭ জুলাই ২০২৬
ধ্বংসস্তূপের ভেতরে নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজছেন মানুষ। ৭ জুলাই ২০২৬
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্বজনদের খবর জানতে উদ্বেগ নিয়ে বসে আছেন পরিবারের সদস্যরা। ৭ জুলাই ২০২৬
জাতিসংঘ পরিচালিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ফুটবল খেলায় মেতে উঠেছে শিশুরা। এ যেন ভূমিকম্পের বিভীষিকার মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা। ৭ জুলাই ২০২৬