কয়েকমাস বাস্তুচ্যুত থাকার পর লেবাননের পরিবারগুলো তাদের গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে। যদিও তাদের নিরাপদ আশ্রয় বলতে কিছুই নেই। ইসরায়েলি হামলার পর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে শেষ আশ্রয়স্থলও হারিয়েছেন তারা। কিন্তু বাধ্য হয়েই ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই ফিরছেন এসব অসহায় মানুষ।

ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা ও সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে নিজের বাড়ির ধ্বংসস্তূপের মুখোমুখি হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে হুসেইন দামাশও রয়েছেন। তিনি বলেন, ইসরায়েল এখনই হামলা চালাতে পারে। তাদের বিশ্বাস করা যায় না। তারা আন্তর্জাতিক আইন মানে না। সারা বিশ্ব এটা জানে।

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় তৈরি করা কিছু বাফার জোন থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) সরে যাওয়ার কথাও অস্বীকার করা হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, বাফার জোনের কিছু অংশ থেকে সরে এসেছে আইডিএফ এবং এখন সেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব নেওয়া উচিত।

কিন্তু দুটি আইডিএফ সূত্র বাফার জোন থেকে সরে যাওয়ার তথ্য অস্বীকার করেছে বলে নিশ্চিত করেছে দ্য জেরুজালেম পোস্ট।

বৈরুত ও জেরুজালেমের সাম্প্রতিক আলোচনায় ইসরায়েল ও আইডিএফ সীমিত পরিসরে সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছিল। সম্ভাব্য এলাকাগুলোর মধ্যে ছিল তিবনিন ও আলি তাহের রিজ। গত সপ্তাহে এই এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল আইডিএফ।

আইডিএফের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সম্প্রতি দখল করা কিছু এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে দেখা হবে লেবাননের সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর উপস্থিতি ও অবকাঠামো সরাতে সক্ষম হয় কি না।

লেবাননের বার্তা সংস্থা এনএনএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে লেবাননে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৯১২ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৮৭৩ জন আহত এবং ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে সরকারি পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে।

টিটিএন