দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বা কমিশনার পদে নিয়োগে আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত চেয়েছে এ সংক্রান্ত বাছাই কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি অধিশাখা এই তথ্য জানিয়েছে।

দুদক কমিশনার পদে নিয়োগের সুপারিশ দিতে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে সভাপতি করে গত ২২ জুন পাঁচ সদস্যের বাছাই কমিটি করেছে সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুদক চেয়ারম্যান বা কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ দিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৭ অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটি উল্লিখিত পদে নিয়োগলাভে আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছে।

ওই পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের দুদক আইনের ধারা ৮ এর উপধারা (১) এর বিধান মোতাবেক প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এই আইনের ধারা ৮ এর উপধারা (২) এ উল্লিখিত ব্যক্তিরা কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য হবেন না।

আগ্রহী ব্যক্তিদের জীবনবৃত্তান্তে নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, জন্ম তারিখ, জাতীয়তা, শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবরণ, পেশা, চাকরি বা অভিজ্ঞতার সুনির্দিষ্ট বিবরণ (মেয়াদ কালসহ) এবং মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল উল্লেখ করে স্বাক্ষর করে দাখিল করতে হবে।

জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ের দুই কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সব সনদপত্রের কপি জমা দিতে হবে। খামের ওপর ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান/কমিশনার পদের জন্য জীবনবৃত্তান্ত’ উল্লেখ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৩ জুলাই সোমবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সচিবালয়ের ৫ নম্বর গেট বা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি নীতি শাখার ৯৩৫ নম্বর কক্ষে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়া যাবে।

এর আগে যাঁরা উল্লিখিত তথ্য ও কাগজপত্রসহ আবেদন বা জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন তাদের নতুন করে আর জীবন বৃত্তান্ত জমা দিতে হবে না বল বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

দুদকের কমিশন গঠনে এ সংক্রান্ত বাছাই কমিটি প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুজন করে ব্যক্তির নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবেন। সেখান থেকে রাষ্ট্রপতি তিনজনকে দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেবেন। তাঁদের মধ্য থেকে একজনকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেবেন রাষ্ট্রপতি।