২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল থেকে রেকর্ড ১৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে ফিফা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা- এটি বাংলাদেশের পুরো অর্থবছরের উন্নয়ন প্রকল্পে খরচের দুই-তৃতীয়াংশের সমান।টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ফিফা যে ১১ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল, তা ছাড়িয়েছে বাস্তব আয়। অতিরিক্ত আয়ের সিংহভাগ এসেছে আতিথেয়তা, টিকিট বিক্রি ও সেকেন্ডারি টিকিটের বাজার থেকে। ফিফা ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পক্ষের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ কমিশন নিয়েছে, যা বাড়তি আয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।ফাইনাল ম্যাচের ট্রফি লাউঞ্জ প্যাকেজের প্রতিটি টিকিটের দাম ছিল ৩৪ হাজার ৫০০ ডলার।রোববার (১৯ জুলাই) নিউ জার্সিতে স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনালের আগের সন্ধ্যা পর্যন্তও ফিফার পোর্টালে এসব টিকিট পাওয়া যাচ্ছিল। টিকিটের এই আকাশছোঁয়া দামই ফিফার আয় বাড়াতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।ধারণা করা হচ্ছে, বাড়তি আয়ের সুফল সদস্যদেশগুলোর ফুটবল সংস্থাগুলোও পাবে। তবে অর্থ বণ্টনের চূড়ান্ত কাঠামো এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।এই আর্থিক সাফল্য ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর জন্য স্বস্তির খবর। এবারের বিশ্বকাপে লাল কার্ড নিয়ে বিতর্ক ও নানা সমালোচনার মুখে পড়লেও রেকর্ড আয়ের কল্যাণে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী মার্চে নির্বাচনে পুনর্নির্বাচনের জন্য তিনি ইতিমধ্যে ২০০টির বেশি সদস্যসংস্থার সমর্থন পেয়েছেন।শুক্রবার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আবারও বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী। তিনি বলেন, ‘আপনারা আবারও যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নিন, তবে কানাডা ও মেক্সিকোকে বাদ দিন।’
রাজনীতি
এক বিশ্বকাপেই ফিফার আয় প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা

শেয়ার করুন







