কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে গড়াই নদে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ কলেজছাত্রীকে ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হয়েছেন। সাঁতার জানা থাকায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তিনি নিজেই নদীর তীরে উঠে আসেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার জিলাপিতলা এলাকায় তিনি নদের তীরের উঠে আসেন। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যদুবয়রা গড়াই সেতু থেকে নদে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তিনি।শর্মিলা খাতুন (২৩) নামের ওই তরুণী কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের বিএসসি (সম্মান) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের আশিকুর রহমানের স্ত্রী।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরে ক্ষোভে যদুবয়রা গড়াই সেতু থেকে নদে ঝাঁপ দেন শর্মিলা। তবে ভালো সাঁতার জানা থাকায় প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়েও তিনি হাল ছাড়েননি। প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে জিলাপিতলা এলাকায় তিনি একাই তীরের দেখা পান। সেখান থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় শর্মিলা শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তবে বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত।কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, উদ্ধার হওয়া কলেজছাত্রীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।/
রাজনীতি
গড়াই নদে ঝাঁপ দেওয়া সেই কলেজছাত্রী ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার

শেয়ার করুন







