গৌরীপুরের সরকারপাড়ায় আদালতের ডিগ্রিপ্রাপ্ত ভূমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে এসে হামলা ও বাধাদানের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি ডিগ্রীদারের সীমানা নির্ধারণের স্থাপিত খুঁটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন উচ্ছেদের জন্য নিযুক্ত গৌরীপুর সিভিল জজ আদালতের নাজির (ভারপ্রাপ্ত) জীবনানন্দ দাস। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সিভিল জজ আদালতে সরকারপাড়ার রিয়াজ উদ্দিন ও তার স্ত্রী সামছুন নাহারের সঙ্গে প্রতিবেশী আফছর উদ্দিন, ইছব আলী, হযরত আলী, জিহাদ, কন্যা তিহা, স্ত্রী শিরিন আক্তারের মোকদ্দমা চলছিল। এতে রিয়াজ উদ্দিন ও তার স্ত্রী ডিগ্রিপ্রাপ্ত হন। পরে সিভিল কোর্ট কমিশনার, জারিকারক ও পুলিশ সদস্যরা বুধবার ডিগ্রিপ্রাপ্ত জমিতে যান। জমি পরিমাপের পর সীমানা নির্ধারণের প্রত্যেকটি স্থানে খুঁটি স্থাপন করা হয়। এ সময় আফছর উদ্দিন গংরা লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। প্রতিপক্ষের উগ্র আচরণে উচ্ছেদ অভিযান পণ্ড হয়ে যায়। এবিষয়ে ইছব আলী বলেন, বিজ্ঞ আদালতের লোকজন এসেছিল। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব। একজন মহিলার সঙ্গে শুধু তর্ক হয়েছিল। কোনো দাঙ্গা-হাঙ্গামার ঘটনা ঘটেনি। মামলা সূত্রে জানা যায়, সরকারপাড়ার মো. রিয়াজ উদ্দিন ও তার স্ত্রী সামছুন নাহার ২০০৮ সালে ইদ্রিস আলী, ইছব আলী, হযরত আলী ও আফছর উদ্দিনের কাছ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ ও অরুন সাহা, রবীন্দ্র সাহা, গুপিনাথ সাহা ও সমরেন্দ্রে সাহার কাছ থেকে ২০১৫ সালে ৫ শতাংশ জমি কেনেন। জমির পরিমাপে দেখেন তার দখলে রয়েছে সাড়ে ৬ শতাংশ। অবশিষ্ট ৩ শতাংশ ভূমি রিয়াজ উদ্দিন ও তার স্ত্রী সামছুন নাহারের সঙ্গে প্রতিবেশী আফছর উদ্দিন, ইছব আলী, হযরত আলী, জিহাদ, কন্যা তিহা, স্ত্রী শিরিন আক্তারের দখলে রয়েছে। এনিয়ে গৌরীপুর সহকারী জজ আদালতে মামলা করা হয়। ওই মামলায় রিয়াজ উদ্দিন ও তার স্ত্রী ডিগ্রিপ্রাপ্ত হন।








