গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইতিহাস বিভাগের উদ্যোগে ‘গুণীজন সাইদুর রহমান (চাঁদ মিয়া)–তাহমিনা বেগম ট্রাস্ট’-এর বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এ বছর মেধা ক্যাটাগরিতে ২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মোট ১ লাখ ৩ হাজার টাকার বৃত্তি বিতরণ করা হয়।
সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. সোহেল হাসান। ইতিহাস বিভাগের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবিকী অনুষদের ডিন সুকান্ত বিশ্বাস। স্মারক বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আবু মো. দেলোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোছা. সানজীদা পারভীন।
এদিন মেধা ক্যাটাগরিতে ২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনকে জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা, তিনজনকে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা এবং ১৯ জনকে জনপ্রতি ৪ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৩ হাজার টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. সোহেল হাসান বলেন, “বৃত্তির ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ বড় বিষয় নয়; বৃত্তি অর্জন করাটাই মুখ্য বিষয়। আমাদের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে আমি ১২টি বৃত্তি পেয়েছিলাম, যা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দের। যারা বৃত্তি পেয়েছ, তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আর যারা এবার বৃত্তি পাওনি, তাদের প্রতি প্রত্যাশা থাকবে—ভালোভাবে পড়াশোনা করে আগামীতে তোমরাও বৃত্তি অর্জন করবে। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ আগের মতো নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমরা শিখতে এসেছ, আর শেখার জন্য প্রচুর বই পড়তে হবে। বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।”
অনুষ্ঠানে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।








