• চলতি শিক্ষাবর্ষের ৯০ শতাংশই কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের
  • আপাতত সমাধানের সুযোগ নেই
  • বিভাগের উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা
  • দুই ধারার গ্র্যাজুয়েট তৈরির মূল পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগে চলতি শিক্ষাবর্ষে মাদরাসা ও কলেজ থেকে সমান অনুপাতে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে চরম জটিলতা দেখা দিয়েছে। একাডেমিক কাউন্সিল অনুমোদিত এই ভর্তিনীতি কেন্দ্রীয় গুচ্ছ (জিএসটি) প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও বহু মাদরাসা শিক্ষার্থী এবার ভর্তি হতে পারেননি।

বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গুচ্ছ ভর্তি কর্তৃপক্ষের ওপর এর দায় চাপাচ্ছে। তবে কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটি বলছে, নিজস্ব ভর্তি শর্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের। এতে বিপাকে পড়েছেন মাদরাসা শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ ডিসেম্বর বিভাগের একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগে মাদরাসা ও কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০:৫০ অনুপাতে আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিষয়ের তালিকাতেও যুক্ত করা হয় এই শর্ত। তবে চলমান ভর্তি কার্যক্রমে ওই নীতির প্রতিফলন দেখা যায়নি। ভর্তির জন্য টাকা জমাদানকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৯০ শতাংশ কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের বলে জানায় বিভাগ।

‘বিভাগটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত শুধু মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হয়। ভর্তি পরীক্ষায় আল-ফিকহ বিষয়ে আলাদা পরীক্ষাও নেওয়া হতো। পরবর্তীতে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে থেকে মাদরাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০টি এবং অন্যান্যদের জন্য ৪০টি আসন নির্ধারণ করা হয়’

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতিতে সাতজন মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী তাদের পছন্দ অনুযায়ী এ বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তবে তাদের অনেকেরই মাইগ্রেশন অন থাকায় (অন্য বিভাগে স্থানান্তর) এই বিভাগেই ভর্তি নিশ্চিত নয়।

সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল কমিটির সদস্যদের মতে, আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ‌‘এ’ ইউনিট থেকে ৩২ জন, ‘বি’ ইউনিট থেকে ৪০ জন এবং ‘সি’ ইউনিট থেকে আটজন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। অথচ বিজ্ঞপ্তিতে মাদরাসা ও কলেজ শিক্ষার্থীদের সমান বণ্টনের কথা বলা হয়েছে। ইউনিটভিত্তিক বণ্টনের স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় হিসাব নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন রেজিস্ট্রার। তবে এ বিষয়ে বিভাগের বক্তব্য, এ নিয়ে বিভাগের কাছে কোনো সমাধান চায়নি টেকনিক্যাল কমিটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভাগটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত শুধু মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হয়। ভর্তি পরীক্ষায় আল-ফিকহ বিষয়ে আলাদা পরীক্ষাও নেওয়া হতো। পরবর্তীতে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে থেকে মাদরাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০টি এবং অন্যান্যদের জন্য ৪০টি আসন নির্ধারণ করা হয়।

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫০:৫০ অনুপাতে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু কোনো প্রশাসনই এটা বাস্তবায়ন করেনি। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাঠদান ও গ্রহণে জটিলতায় পড়েন’

বিভাগের শিক্ষকদের ভাষ্যমতে, একটি শিক্ষাবর্ষে এ ধারা থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ বিশেষায়িত বিভাগকে স্বাভাবিকীকরণ করার চেষ্টা করা হয়। এর ভিত্তিতে গুচ্ছ ভর্তিতে এ নিয়ম পরিবর্তন করে মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়াই বিভাগটিতে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ৫০:৫০ অনুপাতে মাদরাসা ও কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী ভর্তির শর্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গুচ্ছ ভর্তি (জিএসটি) কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। তবে জিএসটি কর্তৃপক্ষের দাবি, গুচ্ছ ভর্তি একটি সাধারণ নীতিমালার আওতায় পরিচালিত হয়। আল-ফিকহ বিভাগের মতো বিশেষ শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হলে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষায়িত বিভাগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের দাবি উঠবে, যা গুচ্ছ পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’

‘গুচ্ছে আটকা’ ইবির আল-ফিকহ বিভাগের মাদরাসা কোটা

তিনি বলেন, “জিএসটি কর্তৃপক্ষ আরও কয়েকটি কারিগরি জটিলতার কথা উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, অনুমোদিত নীতিতে ‘মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ড’ বলতে এসএসসি, এইচএসসি নাকি উভয় পর্যায়ে মাদরাসায় অধ্যয়নকে বোঝানো হয়েছে—তা স্পষ্ট নয়। একইভাবে ৫০ শতাংশ আসন এ, বি ও সি ইউনিটে কীভাবে বণ্টন করা হবে, সে বিষয়েও কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এসব কারণে তারা নীতিটি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন।”

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘আমি প্রথম ধাপের ভর্তি শেষ হওয়ার পর দায়িত্ব নিয়েছি। এখন ৮০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে গেছে। এ অবস্থায় তাদের ভর্তি বাতিল বা নতুন করে পুরো প্রক্রিয়া পরিবর্তন করা বাস্তবসম্মত নয়। বিষয়টি নিয়ে জিএসটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। এমনকি প্রথম ধাপের ভর্তি শেষে অবশিষ্ট আসনগুলোতে অন্তত নীতিটি বাস্তবায়নের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জিএসটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম ধাপে ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে সুযোগ দেওয়া হলে নতুন জটিলতা ও বৈষম্যের সৃষ্টি হবে। এছাড়া মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের কোনো শিক্ষার্থী পরবর্তীতে অন্য বিভাগে মাইগ্রেশন করলে নির্ধারিত অনুপাতও আর বজায় থাকবে না।’

‘বিজ্ঞানে পড়তে হলে যেমন বিজ্ঞানের শর্ত লাগে, তেমনি ফিকহ পড়তে হলে ফিকহের শর্ত লাগবে। ফিকহের কিছু বিশেষ শব্দ (টার্ম) আছে যা আরবি না জানা একজন শিক্ষার্থী হুট করে এসে বুঝবে না। এরূপ শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ায় বিভাগের উদ্দেশ্য পূরণ হচ্ছে না’—বিভগীয় শিক্ষক

বর্তমানে ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়ে যাওয়ায় চলতি শিক্ষাবর্ষে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের সুযোগ নেই বলেও জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।

তিনি বলেন, ‌‌‘ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে বিভাগের শিক্ষক ও প্রশাসন আলোচনা করে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে হবে। প্রয়োজন হলে আল-ফিকহ বিভাগকে ডি-ইউনিটের মতো বিশেষায়িত ভর্তি পদ্ধতির আওতায় আনা বা গুচ্ছ ভর্তি কাঠামোর বাইরে পৃথক ভর্তি ব্যবস্থার বিষয়েও আলোচনা করা যেতে পারে।’

এ বিষয়ে আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন বলেন, ‘জিএসটি কর্তৃপক্ষ যে শর্ত দিয়েছে সেই শর্ত অনুযায়ী আমি জানি না কিরূপ জটিলতা তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি। টেকনিক্যাল কমিটি এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবে।’

মাদরাসা-কলেজ থেকে সমান শিক্ষার্থী কেন নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫০:৫০ অনুপাতে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু কোনো প্রশাসনই এটা বাস্তবায়ন করেনি। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাঠদান ও গ্রহণে জটিলতায় পড়েন। সবশেষ বিভাগের একাডেমিক কমিটি দুই ধারার গ্র্যাজুয়েট তৈরির সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। মাদরাসার ধারার শিক্ষার্থীরা ফিকহে বেশি প্রাধান্য দেবে। পাশাপাশি জেনেরাল আইনে অভিজ্ঞ হবে। অন্যদিকে কলেজ ধারার শিক্ষার্থীরা আইনের পাশাপাশি ইসলামি আইনে অভিজ্ঞ হবে। ইবি প্রশাসনও সে অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।’

এ বিষয়ে বিভাগটির জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. আবুবকর মো. জাকারিয়া মজুমদার বলেন, ‘বিজ্ঞানে পড়তে হলে যেমন বিজ্ঞানের শর্ত লাগে, তেমনি ফিকহ পড়তে হলে ফিকহের শর্ত লাগবে। ফিকহের কিছু বিশেষ শব্দ (টার্ম) আছে যা আরবি না জানা একজন শিক্ষার্থী হুট করে এসে বুঝবে না। এরূপ শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ায় বিভাগের উদ্দেশ্য পূরণ হচ্ছে না।’

‘আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ৫০:৫০ অনুপাতে মাদরাসা ও কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী ভর্তির শর্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গুচ্ছ ভর্তি (জিএসটি) কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। তবে জিএসটি কর্তৃপক্ষের দাবি, গুচ্ছ ভর্তি একটি সাধারণ নীতিমালার আওতায় পরিচালিত হয়। আল-ফিকহ বিভাগের মতো বিশেষ শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হলে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষায়িত বিভাগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের দাবি উঠবে, যা গুচ্ছ পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’

তিনি বলেন, ‘এই ষড়যন্ত্রের পেছনে হাত ছিল সাবেক উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী ও উপ-উপাচার্য ড. শাহিনুর রহমানদের। তারা জোর করে আমাদের ওপর এটা চাপিয়ে দেন। এখন শিক্ষার্থীরা নিজেরা ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না। আমরাও পাঠদান করতে গিয়ে অসুবিধায় পড়ছি।’

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির দায়িত্বে থাকা ইউএফটিবির সহকারী অধ্যাপক রুবেল শেখ বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবগত নই। এ ধরনের নীতিগত বা শর্তসাপেক্ষ ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাই ভালো জানেন।’

‘গুচ্ছে আটকা’ ইবির আল-ফিকহ বিভাগের মাদরাসা কোটা

প্রসঙ্গত, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্দেশে গঠিত ‘ইসলামিক ইউনিভার্সিটি কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ধারা ১.২.১ এবং ৫.১৪-তে ভর্তির ক্ষেত্রে জেনারেল ও মাদরাসা থেকে সমান সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়। ১৯৮৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর ৫০ শতাংশ মাদরাসা থেকে নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। দুই ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ১০০ নম্বরের ইংরেজি অথবা আরবি ও ইসলামিয়াতও আবশ্যিক ছিল।

বর্তমানে এই ভারসাম্য বিলুপ্ত। ধর্মতত্ত্ব অনুষদেও নেই জেনারেল শিক্ষার্থীদের ৫০ শতাংশের ভারসাম্য নীতি। শুধুমাত্র আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগে তা পুনরায় কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হলেও চলমান ভর্তি কার্যক্রমে নীতিটি বাস্তবায়ন না হওয়ায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মতিনুর রহমান বলেন, ‌‘বিষয়টি জানার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে অফিসকে তথ্য দিতে বলেছিলাম। কিন্তু এখনো তারা আমাকে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।’

তিনি বলেন, ‘পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময়ে এ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছিল। আমি প্রায় এক মাস হলো যোগদান করেছি। এর মধ্যেও হাতেগোনা কয়েকটি কার্যদিবস পেয়েছি। তাই চলমান প্রত্রিয়ায় কিছু করার সুযোগ ছিল না। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়গুলো আমি অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবো।’

এসআর/এএসএম