হবিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়গুলোর কোনো শিক্ষার্থী বৃত্তি পায়নি। বৃত্তি পরিক্ষার এ ফলাফল বিপর্যয়কে শিক্ষার্থী ভর্তিতে লটারি পদ্ধতিকে দায়ি করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
রোববার (১২ জুলাই) প্রকাশিত পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরিক্ষার ফলাফলে এ চিত্র দেখা যায়।
বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে- হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ বিকেজিসি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও হবিগঞ্জ পিটিআই সংলগ্ন পরিক্ষণ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়গুলো জেলার সেরা হিসেবে মূল্যায়ন করা হয় যুগ যুগ ধরে।
অভিভাবক ইশতিয়াক তরফদার বলেন, ফলাফল বিপর্যয়ের মূল কারণ লটারিতে শিক্ষার্থী ভর্তি পদ্ধতি। এ জন্য পড়ালেখায় খুবই দুর্বল শিক্ষার্থীরাও অনেক দূরদূরান্ত থেকে এসে নামকরা স্কুলগুলোতে ভর্তি হয়েছে। এরপরও সমস্যা ছিল না, যদি অভিভাবকরা সচেতন হতেন। তাদের অধিকাংশেরই অভিভাবকও দুর্বল। তারা মোটেও সচেতন নন।
হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ৪৬ শিক্ষার্থী বৃত্তি পরিক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু একজনও কেন পেলো না তা মোটেই বোধগম্য হচ্ছে না। আমার ধারণা হয়তো টেকনিক্যাল সমস্যা হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
বিকেজিসি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাছিমা আক্তার খানম বলেন, আমার ধারণা ভর্তিতে লটারি পদ্ধতির একটি বড় কুফল এটি। ফলাফল ভুল হলে শুধু একটি বিদ্যালয়ের হতে পারে। কয়েকটি বিদ্যালয়ের ফলাফল ভুল এটি কিভাবে সম্ভব। লটারির কারণে অধিকতর দুর্বল শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। যাদের গড়ে তুলতে শিক্ষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। কিন্তু তাদের অধিকাংশ অভিভাবকরাও দুর্বল। সন্তানদের লেখাপড়া নিয়ে তাদের অসচেতনতা।
তবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদা নাজমীন লটারিতে শিক্ষার্থী ভর্তিকে এ জন্য মোটেও দায়ি বলতে চান না। তিনি বলেন, লটারিতেতো সব জায়গায়ই শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। তাহলে অন্যান্য স্থানে কিভাবে পেলো। আমি পূর্বে যে স্কুলে ছিলাম সেখানে ৪০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। তারাও লটারিতেই ভর্তি হয়েছে।
সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এএইচ








