তুরস্কের হায়া সোফিয়া গ্র্যান্ড মসজিদ থেকে রুশ নাগরিকদের আটকের ঘটনাটি তদন্ত শুরু করছে ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত রাশিয়ার কনস্যুলেট জেনারেল। গত ১৩ জুলাই ভিক্টোরিয়া ও ইগর নামে দুই রুশ নাগরিককে হায়া সোফিয়ায় মসজিদে বাইবেল পড়ার সময় আটক করা হয়।

তুরস্কে রুশ দূতাবাস বার্তা সংস্থা তাস কে জানিয়েছে, বর্তমানে এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। একই সঙ্গে তারা জানায়, কূটনীতিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। ইস্তাম্বুল পুলিশের সূত্রগুলো ঘটনাটি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ এবং অভিবাসন দপ্তরও এই অনুসন্ধানের জবাবে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিরা যে হোটেলে অবস্থান করছিলেন সেই হোটেলের ব্যবস্থাপকও তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি। তিনি জানান, প্রচলিত আইন অনুযায়ী তৃতীয় পক্ষের কাছে অতিথিদের তথ্য প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

এর আগে কয়েকটি রুশ সংবাদমাধ্যম জানায়, ভিক্টোরিয়া ও ইগর নামে দুই রুশ নাগরিককে ১৩ জুলাই হায়া সোফিয়ায় বাইবেল পড়ার সময় আটক করা হয়।

তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের একটি পুলিশ কার্যালয়ে নিয়ে যায় এবং তুরস্কের দণ্ডবিধির ২১৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। এই ধারায় মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ও শত্রুতা উসকে দেওয়া অথবা জনগণের নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে অপমান করার অভিযোগের বিধান রয়েছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ২০২০ সালের জুলাই মাসে একটি ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হায়া সোফিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদে রূপান্তর করেন। এরপর সেখানে পুনরায় নামাজ শুরু হয়।

কেএম