নরওয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘ডাকাতির শিকার’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সাবেক ফুটবলার এবং আরলিং হালান্ডের বাবা আল্‌ফ-ইঙ্গে হালান্ড। তবে একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নরওয়েকে বিদায় করার পর এবার ইংল্যান্ডই যেন বিশ্বকাপ জয় করে।

সাবেক লিডস ইউনাইটেড মিডফিল্ডার এবং ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের বাবা আল্‌ফ-ইঙ্গে হালান্ডের মতে, মিয়ামিতে ২-১ গোলের জয়ে টমাস টুখেলের দলকে ‘রেফারিই বাঁচিয়ে দিয়েছেন’।

ম্যাচে তোরবিয়র্ন হেগেমের একটি গোল বাতিল হয়ে যায়, যা হলে নরওয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যেত। কর্নারের সময় আর্লিং হালান্ড ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ধাক্কা দেওয়ায় ভিডিও সহকারী রেফারির সহায়তায় গোলটি বাতিল করা হয়।

এছাড়া ইংল্যান্ডের প্রথম গোলের আগে বলটি মাঠের ওপরে থাকা তারে লেগেছিল কি না, তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দেয়। নরওয়ের প্রধান কোচ স্তালে সোলবাক্কেন দাবি করেছিলেন, নরওয়ের একটি গোলকিক তারে লেগে আকাশ থেকে সোজা নিচে নেমে এসেছিল। তবে ফিফার বল-সংবেদক প্রযুক্তিতে বলের সঙ্গে কোনো সংস্পর্শের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সাংবাদিক হেনরি উইন্টারের একটি এক্স (টুইটার) পোস্টের জবাবে আল্‌ফ-ইঙ্গে হালান্ড লেখেন, ‘রেফারিই ওদের বাঁচিয়েছে। আশা করি এখন তোমরাই বিশ্বকাপ জিতবে। কিন্তু আজ আমাদের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।’

এর আগে জুদ বেলিংহ্যামের জয়সূচক দ্বিতীয় গোলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরেকটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘শাবাশ, বেলিংহ্যাম এবং রেফারি!’

ম্যাচ চলাকালে টেলিভিশনের ক্যামেরায় আল্‌ফ-ইঙ্গে হালান্ডকে দর্শক সারির কারও উদ্দেশে দুই আঙুল তুলে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। তার অভিযোগ ছিল, জেড স্পেন্স পেনাল্টি আদায়ের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ে গিয়েছিলেন। যদিও পরে ভিডিও সহকারী রেফারির হস্তক্ষেপে সেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল হয়।
তবে আর্লিং হালান্ড নিজে রেফারির কোনো সিদ্ধান্তকে দায়ী করেননি।

তিনি বলেন, ‘সাধারণত সেরা দলই এমন সিদ্ধান্তের সুবিধা পায়। আর খেলোয়াড়দের মান বিবেচনায় ইংল্যান্ডই সেরা দল। আমি যখন ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলি, তখনও বেশির ভাগ সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষেই যায়।’

বাংলাদেশ সময় আগামী বুধবার দিবাগত রাত ১টায় বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।

আরএএইচইউএল/আইএইচএস