ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলার জবাবে এটি ছিল তাদের শাস্তিমূলক প্রতিক্রিয়ার প্রথম ধাপ।

বিবৃতিতে বলা হয়, আইআরজিসির নৌ ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান (ও আলি আল সালেম ঘাঁটি এবং বাহরাইনের জুফায়ের ও শেখ ইসা সামরিক ঘাঁটি।

তবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। তার ভাষায়, এ ধরনের আলোচনা ছিল সময়ের অপচয়।

তবে ট্রাম্প পুরোপুরি আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করেননি। তিনি বলেন, তার প্রশাসনের দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ ভবিষ্যতেও আলোচনা চালাতে পারেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে যদি তিনি মনে করেন কূটনৈতিক সমাধানের কোনো সুযোগ রয়েছে, তাহলে সেই পথেই এগোনো হবে।

ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি নিজে কখনোই ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেননি।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম