জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া ঘিরে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত দরপত্রে জাপানের ERBIS Engineering Co. Ltd., Tokyo অংশগ্রহণ করে। প্রকল্পটির প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন ড. তারিকুল ইসলাম।
অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে দুই দরপত্রের বড় আর্থিক ব্যবধান। সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, একই প্রকল্পে ফুজির দরপত্র মূল্য ছিল প্রায় ১৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে ERBIS-এর ক্যাননভিত্তিক প্রস্তাবের মূল্য প্রায় ২০১ কোটি টাকা।
ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ৪১ কোটি টাকা। সূত্রের অভিযোগ, এত বড় ব্যবধান থাকার পরও বেশি মূল্যের প্রস্তাবকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এর পক্ষে নানা তথ্য ও প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
সূত্রগুলো আরও বলছে, আফতাব নামের এক ব্যক্তিকে কাজ পাইয়ে দিতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হচ্ছে। তাকে বিগত আওয়ামী সরকারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের দাবি, এই প্রক্রিয়া এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে।
একাধিক সূত্রের ভাষ্য, কাজ পাইয়ে দেওয়ার এই প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় অর্থে পরিচালিত বিদেশি ঋণের প্রকল্পে এমন লেনদেনের অভিযোগ প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে।
সূত্রমতে, বিষয়টি ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় অর্থের সুরক্ষায় পুরো টেন্ডার প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তারা আশা করছেন।
সওজের প্রকৌশলী মনিরুজ্জামানের অবৈধ সম্পদের পাহাড়, কমিশন বাণিজ্য ও টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগ
তারা জোর দিয়ে বলছেন, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা অনিয়মের সুযোগ না রেখে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক টেন্ডার নিশ্চিত করা জরুরি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা তদন্তের ঘোষণা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
The post জাইকা প্রকল্পের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, বাড়তি ৪১ কোটি টাকার প্রশ্ন appeared first on ZoomBangla.







