অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নিউ আরবান এজেন্ডার মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সরকারি তথ্য বিবরণীতে এসব তথ্য জানা গেছে।
আরও পড়ুন
মাঠে কৃষকের হাহাকার, বাজারে ভোক্তার নাভিশ্বাস
পরিকল্পিত নগরায়ণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নগরায়ণকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু-সহনশীলতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় সরকার সাশ্রয়ী আবাসনের সম্প্রসারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ নিউ আরবান এজেন্ডা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-এর বাস্তবায়নকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ দুই শ্রমিকের মৃত্যু
আহম্মদ সোহেল মনজুর আরও বলেন, ভবিষ্যতমুখী নগর উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে সরকার সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনা, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী নগর অর্থায়ন, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী টেকসই নগরায়ণ ত্বরান্বিত করতে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, টেকসই নগর উন্নয়নের মাধ্যমে এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কোনো মানুষ এবং কোনো অঞ্চল পিছিয়ে থাকবে না।
এমইউ/কেএসআর








