জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে পবিত্র কোরআন খতম এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী। স্বাগত বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন।

সভাপতিত্ব করেন দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জাকাত বিভাগের পরিচালক ড. হাফেজ মাওলানা ওয়ালীয়ুর রহমান খান।

পবিত্র কোরআন খতম শেষে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে জুলাই শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত আরোগ্য, তাদের পরিবার-পরিজনের কল্যাণ এবং দেশের সার্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দোয়া ও মোনাজাতে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, দেশবাসীর পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং আগামী দিনে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও সহায়তা কামনা করা হয়।

আরও পড়ুন

জুলাই শহীদ পরিবার-যোদ্ধারা সহায়তা পেয়েছেন হাজার কোটি টাকা

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কল্যাণের জন্য সকলকে দোয়া করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দেশ ও জাতির যে কোনো ক্রান্তিকালে আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ইসলাম শান্তি, মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও কল্যাণের শিক্ষা দেয়। তাই দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, উপপরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইমাম-মুয়াজ্জিন, আলেম-ওলামা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এমইউ/বিএ