কমলগঞ্জের ইসলামপুর ইউনিয়নের বাঘাছড়ার ওপরে নির্মিতব্য প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ টাকার সেতুটির নির্মাণ কাজ দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ রয়েছে। ৩ মাস আগে কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ হয়নি চার ভাগের এক ভাগও। খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখায় নষ্ট হচ্ছে নির্মাণ সামগ্রী। দুর্ভোগে ২৫টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। লোকজনের যাতায়াতের জন্য নির্মিত বিকল্প সেতুিটও চলার অনুপযোগী। রোগী, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী ও পণ্য সামগ্রী পরিবহণ করতে পড়তে হচ্ছে সমস্যায়। দ্রুততম সময়ে সেতুটি তৈরি করে চলাচলের উপযোগী করে তোলার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা যায়, ইসলামপুর ইউনিয়নের ২০-২৫টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষের প্রতিদিন একমাত্র চলাচলের রাস্তাটির উপরে এডিবির অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে সেতুটি। ১০ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতুটি দীর্ঘদিন থেকে কাজ না করে ফেলে রেখেছেন ঠিকাদার। সেতুটি দক্ষিণ কানাইদেশী ও উত্তর কানাইদেশী গ্রামকে সংযুক্ত করেছে।
ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ মিয়া জানান, এক বছর আগে কাজ শুরু হলেও এখন পর্যন্ত চারভাগের এক ভাগও শেষ হয়নি। কাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে এ বছরের মার্চ মাসে। অসহায় হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।
ঠিকাদারের পার্টনার উত্তম কুমার স্বপনকে ফোন দিয়ে কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ‘গাড়িতে আছেন পরে কথা বলবেন’ বলে ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন না ধরাতে কেন কাজ বন্ধ রয়েছে জানা যায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল আজম, ঠিকাদারের পক্ষ নিয়ে সাইনবোর্ডে দেওয়া কাজ আরম্ভ ও শেষের তারিখ ভুল দেওয়া হয়েছে বলে তিনি সেটা সংশোধনের জন্য বলেছেন। তিনি বলেন, কাজের মেয়াদ আরও না বাড়ালে কাজ শেষ করা সম্ভব নয়। তিনি ঠিকাদারের নাম্বার না দিয়ে তার সহযোগীর নাম্বার দিলেও উনি ফোন ধরে কথা বলেননি। প্রকৌশলী জানান, এটা একটি বড় প্যাকেজ, অন্যগুলোর কাজ শেষ হলেও দুটির কাজ পিছিয়ে আছে।
কাজের বিষয়ে ইউএনও আছাদুজ্জামান ‘প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে নিয়ে বসে শিগগিরই কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’ বলে জানান।








