বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে কানাডা ও মরক্কোর ম্যাচের প্রথমার্ধে দেখা গেল এক বিরল পরিসংখ্যান। আক্রমণাত্মক ফুটবলের চেয়ে শারীরিক লড়াই ও ফাউলই যেন বেশি প্রাধান্য পেল ম্যাচে।
প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দল মিলিয়ে মোট শট ছিল মাত্র ৫টি। অথচ একই সময়ে রেফারি দেখিয়েছেন ৬টি হলুদ কার্ড। অর্থাৎ শটের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে হলুদ কার্ডের সংখ্যা।
ফিফা বিশ্বকাপের রেকর্ড (১৯৬৬ সাল থেকে সংরক্ষিত) অনুযায়ী, প্রথমার্ধে শটের চেয়ে হলুদ কার্ড বেশি দেখানোর ঘটনা এবারই প্রথম। ফলে ম্যাচটি শুরুতেই জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বকাপের বিরল পরিসংখ্যানের তালিকায়।
হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচটির শুরু থেকেই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মাঝমাঠের দখল নিয়ে একের পর এক শক্ত ট্যাকল, ফাউল এবং উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে বারবার পকেটে হাত দিতে হয়েছে রেফারিকে। মরক্কোর ডিফেন্ডারদের পাশাপাশি কানাডার খেলোয়াড়রাও একাধিকবার হলুদ কার্ড দেখেন।
গোলশূন্য প্রথমার্ধে সুযোগও ছিল খুবই সীমিত। দুই দলই আক্রমণের চেয়ে রক্ষণ সামলাতেই বেশি মনোযোগী ছিল। ফলে দর্শকরা গোলের চেয়ে বেশি দেখেছেন ফাউল, সতর্কবার্তা এবং উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে এমন ব্যতিক্রমী পরিসংখ্যান ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে একটি অনন্য রেকর্ডের সাক্ষী হয়ে যায়।
আরআর/আইএন








