বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে আত্মবিশ্বাসী হলেও বিন্দুমাত্র আত্মতুষ্ট নয় আর্জেন্টিনা। দলের অন্যতম ভরসার সেন্টার-ব্যাক ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই; বরং নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নেওয়াই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। কথা বলেছেন বেলজিয়ামের গোলরক্ষকের থিবো কর্তোয়ার ভবিষ্যদ্বাণী নিয়েও।
শুক্রবারের অনুশীলন সেশনের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে স্পেনের কাছে বেলজিয়ামের বিদায়ের পর কর্তোয়ার দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে এই খেলোয়াড় বলেন, ‘আমরা আগামীকালের ম্যাচের দিকে মনোনিবেশ করছি, এটি একটি কঠিন ম্যাচ হতে যাচ্ছে এবং কোনো খেলোয়াড় কী ভাবছে তা আমরা কান দিয়ে শুনি না। প্রত্যেকের নিজস্ব মতামত ও নিজস্ব চিন্তাভাবনা রয়েছে, তবে আমাদের পুরো মনোযোগ আগামীকালের খেলায়।’
মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর রোমাঞ্চকর ৩-২ জয়ে গোল করা রোমেরো বলেন, ‘আমরা কখনোই প্রতিপক্ষের দিকে তাকিয়ে থাকি না। আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজেদের উন্নতি করা এবং আগের ম্যাচের ভুলগুলো ঠিক করা। বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে প্রতিটি দলই কঠিন।’
রোমেরোর মতে, নকআউট পর্বে কোনো ম্যাচই সহজ নয়। তাই সুইজারল্যান্ডকে পূর্ণ সম্মান দিয়েই মাঠে নামবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি সুইজারল্যান্ড কতটা শক্তিশালী দল। তারা এখানে কাকতালীয়ভাবে আসেনি। আমাদের সেরাটা খেলতে হবে।’
অন্যদিকে সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিনও আর্জেন্টিনাকে মোকাবিলার পরিকল্পনা স্পষ্ট করেছেন। তার মতে, লিওনেল মেসিকে থামানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো বলের দখল নিজেদের কাছে রাখা। তবে ইনজুরির কারণে দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার ও এ পর্যন্ত তিন গোল করা ইয়োহান মানজাম্বিকে পাচ্ছে না সুইজারল্যান্ড, যা তাদের জন্য বড় ধাক্কা।
উল্লেখ্য, স্পেনের কাছে হেরে বিদায়ের পর সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক কর্তোয়া মন্তব্য করেন, ‘স্পেন অবশ্যই বিশ্বকাপ জিততে পারে। তাদের দারুণ দল এবং প্রবল উদ্দীপনা রয়েছে। আমার বিশ্বাস, ওই সেমিফাইনালের বিজয়ীই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে।’
আইএন








