কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের ক্যাথ ল্যাবে প্রথমবারের মতো সফলভাবে পারকিউটেনিয়াস করোনারি ইন্টারভেনশন বা করোনারি এনজিওপ্লাস্টি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর হাসপাতালটিতে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের একজন পুলিশ সদস্যের হৃৎপিণ্ডে সফলভাবে এনজিওপ্লাস্টি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।

কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে এ সেবা চালু হওয়ার মাধ্যমে হৃদরোগ চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। এখন থেকে বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্য এবং তাদের পরিবার আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক হৃদরোগ চিকিৎসা ও জরুরি কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশন সেবা আরও দ্রুত ও সহজে নিতে পারবেন।

কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সংযোজন, দক্ষ জনবল গঠন ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

কেআর/একিউএফ