খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকার পূর্বাচলে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ড উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
এদিন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
আলী হোসেন ফকির বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া উন্নয়নে বেশ আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। এ লক্ষ্যে পুলিশ সদস্যদের মধ্য থেকে বাছাই করে একটি ফুটবল দল গঠন করা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পুলিশ সদস্যদের ফুটবল খেলা যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করবে। তারা লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ জাতি গড়ে তুলবে।
আইজিপি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা একজন পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালনে আরো কর্মক্ষম, আত্মবিশ্বাসী এবং সক্ষম করে তোলে। ফুটবল খেলা শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দলগত সমন্বয়ের শিক্ষা দেয়, যা পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আলী হোসেন ফকির বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ক্রীড়া চর্চার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে। আমাদের সদস্যরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন খেলায় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ড শুধু একটি ক্রীড়া অবকাঠামোই নয়, এটি পুলিশ ফুটবল টিমের অন্যতম অনুশীলন কেন্দ্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এখান থেকে ভবিষ্যতে আরো দক্ষ ও মেধাবী খেলোয়াড় তৈরি হবে, যারা বাংলাদেশ পুলিশের পাশাপাশি দেশের সুনামও বৃদ্ধি করবে।
তিনি প্রীতি ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণকারী উভয় দলের খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের প্রশংসা করে।
এবিপিএনের অতিরিক্ত আইজি হাসিব আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রতিনিধি এবং খেলোয়াড় ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
নবনির্মিত বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ডের চতুর্দিকে ২০ ফুট সার্ভিস এরিয়াসহ এর মোট আয়তন প্রায় এক লাখ বর্গফুট।








