কিয়েভে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে ৯ জন নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মস্কোর একটি ‘ব্যাপক হামলার’ প্রস্তুতির সতর্কবার্তা দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার ভোরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কেঁপে ওঠে কিয়েভ। এতে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা আগ্রাসনে রাশিয়া কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে নিয়মিত একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতে পরিণত হয়েছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছে যে, কিয়েভ সরকারের বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর সন্ত্রাসী হামলার জবাবে তারা কিয়েভে একটি ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনী রাজধানীর দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে আসার সতর্কবার্তা দেওয়ার পর এবং আসন্ন রুশ হামলার গোয়েন্দা প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে জেলেনস্কি বুধবার ডাবলিন সফর সংক্ষিপ্ত করার পর এই হামলা চালানো হলো।
মধ্য ও পূর্ব কিয়েভে এএফপির সাংবাদিকরা এক ডজনেরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং লোকজনকে মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নিতে ছুটে যেতে দেখেছেন।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, এই হামলায় নয়জন নিহত এবং ৩৪ জন আহত হয়েছেন। শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো বেসামরিক নাগরিক ও আবাসিক এলাকাগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। আঞ্চলিক গভর্নর মিকোলা কালাশনিকের মতে, এই হামলায় বৃহত্তর কিয়েভ অঞ্চলের পাঁচটি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
টিটিএন








