টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে ভোলার মনপুরায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপকূলের ভেড়ির বাইরে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল ৩-৪ ফুট জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ১০ হাজার বাসিন্দা। অন্যদিকে মনপুরা থেকে বিচ্ছিন্ন চরকলাতলী, ঢালচর ও কাজীর চরে ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, টানা বর্ষণে মনপুরার মূল ভূখণ্ডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা উত্তর সাকুচিয়া, দক্ষিণ সাকুচিয়া, হাজিরহাট ও মনপুরা ইউনিয়নের আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাসকারী বাসিন্দাদের। বৃষ্টির পানিতে তিন দিন ধরে ডুবে আছে তাদের ঘরবাড়ি। চুলায় হাঁড়ি না ওঠায় অনেকে রয়েছে উপোস, কেউ শুকনা খাবার খেয়ে দিনযাপন করছে। এ ছাড়া উপকূলের সর্বত্রই ২-৩ ফুট পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে উপকূলের খেটে খাওয়া মানুষ। উপকূলের হাটবাজার বন্ধ রয়েছে। মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। স্থানীয়রা জানান, মনপুরায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে চারপাশের ভেড়িবাঁধের কাজ করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য আজকে তাদের এত কষ্ট হচ্ছে।
বুধবার দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডিভিশন-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা জানান, টানা বর্ষণে ও মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর প্রবাহিত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।








