একসময়ের দুর্গন্ধ আর মশা-মাছির আস্তানা শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীর তীর ও খাদ্যগুদাম সংলগ্ন খাল এলাকাটি এখন পরিচ্ছন্ন। সেখানে ১০ প্রজাতির প্রায় ১ হাজার গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে শরীয়তপুর পৌরসভা।বুধবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় কীর্তিনাশা নদীর তীরে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পৌরসভার প্রশাসক ওয়াহিদ হোসেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পৌরসভার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, কীর্তিনাশা নদীর তীরে অবস্থিত জেলার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র আঙ্গারিয়া বাজার ও খাদ্যগুদাম সংলগ্ন এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছিল। বাজারের বর্জ্য ও আবাসিক এলাকার ময়লায় পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা মশা ও দুর্গন্ধের কারণে চরম ভোগান্তিতে ছিলেন।এই পরিস্থিতি নিরসনে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বা ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করে পৌরসভা। নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি নদী ও খালের তীরে দীর্ঘদিনের জমানো ময়লা সরিয়ে এলাকাটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়। সেই পরিচ্ছন্ন পরিবেশকে স্থায়ী রূপ দিতেই এখন সেখানে ফলজ, বনজ ও ফুলের চারা লাগানো হচ্ছে।শরীয়তপুর পৌরসভার প্রশাসক ওয়াহিদ হোসেন বলেন, ‘পৌরসভাকে একটি বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে সেখানে সবুজায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এখানে আধুনিক ডাম্পিং ইয়ার্ড নির্মাণ ও আলোকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগ সফল হলে বর্জ্যই একসময় সম্পদে পরিণত হবে।’/