ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড উসমান দেম্বেলে নরওয়ের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে বিশেষ এক কীর্তি গড়েন। বর্তমান ব্যালন ডি’অর জয়ী দেম্বেলে ম্যাচের প্রথমার্ধেই তিনটি গোল করেন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম কোনো ফুটবলার বিশ্বকাপে প্রথমার্ধে হ্যাটট্রিক করলেন। কাকতালীয়ভাবে, ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপও যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
স্বামী দেম্বেলের এই ঐতিহাসিক কীর্তি উদযাপনে বিলম্ব করেননি তার স্ত্রী রিমা এদবুশ দেম্বেলে। যদিও তাকে ফ্রান্স বনাম নরওয়ে ম্যাচটিতে সশরীরে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি, তবে দেম্বেলের তৃতীয় গোলের পর তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে টিভির পর্দার একটি ছবি শেয়ার করেন।
ছবিটিতে দেখা যায় দেম্বেলে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নিজের হাতের শিরার দিকে আঙুল নির্দেশ করছেন- যার মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তার শিরায় বইছে বরফ-শীতল স্থিরতা (অর্থাৎ চরম চাপের মুখেও তিনি অবিচল)। রিমার পোস্টটিতে কোনো ক্যাপশন ছিল না, তবে দেম্বেলের পারফরম্যান্সই যেন সব কথা বলে দিয়েছে।
উসমান দেম্বেলে ও রিমা ২০২১ সালের ডিসেম্বরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০২২ সালে তাদের ঘরে জন্ম নেয় এক কন্যাসন্তান। রিমা সাধারণত প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন, তবে দেম্বেলের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অনেক মুহূর্তে তাকে স্বামীর পাশে দেখা গেছে।
ফ্রান্স যদি ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষের দিকের ম্যাচগুলোতে-বিশেষত ফাইনালে পৌঁছাতে পারে, তাহলে রিমাকে টুর্নামেন্টে সরাসরি উপস্থিত দেখা যাবে কি না, সেটিও আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠতে পারে।
তবে একটি বিষয় স্পষ্ট- দেম্বেলে জানেন, স্ত্রীর পূর্ণ সমর্থন তার সঙ্গে রয়েছে। আর সেই সমর্থনই হয়তো তাকে বিশ্বকাপের মঞ্চে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখাতে অনুপ্রাণিত করছে।
এদিকে, নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ সেরার পুরস্কার নেওয়ার পর মঞ্চেই স্ত্রীর সঙ্গে দেম্বেলের তিনটি ছবির একটি সম্মিলিত রূপ নেটে ছড়িয়ে পড়েছে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে ছবিটি সম্ভবত এআই দিয়ে তৈরি। কারণ, দেম্বেলের স্ত্রী রিমা এদিন মাঠেই উপস্থিত ছিল কি না, তা নিযে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। অর্থ্যাৎ এই ছবির সত্যতা পাওয়া যায়নি।
আরএএইচইউএল/আইএইচএস/








