খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন ঘিরে নতুন অন্তর্ভুক্ত ৬৯৭টি প্রতিষ্ঠানের ভোটার বৈধতা নিয়ে আপত্তি ওঠেছে। এ বিষয়ে দাখিল অভিযোগের শুনানি ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচনি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায় বলেন, ৬ জুলাই সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে প্রতিষ্ঠানের মালিক বা প্রতিনিধিদের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের জন্য নির্বাচন বোর্ড ২ হাজার ৪০২ জনের প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ করে। তফশিল অনুযায়ী ১ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত ভোটার তালিকার ওপর আপত্তি জানানোর সুযোগ ছিল। এ সময়ে কয়েকজন সদস্য নতুন ভোটার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া ৬৯৭টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে আপত্তি দাখিল করেন।

আপত্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ৬৯৭টি প্রতিষ্ঠানকে নতুন সদস্য করা হয়েছে, যা বাণিজ্য সংগঠন আইন ও খুলনা চেম্বারের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি।

আপত্তিকারীদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকার খুলনা চেম্বারে প্রশাসক নিয়োগ দেয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রশাসককে নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশনা দিলেও নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির ক্ষমতা বা নির্দেশনা দেয়নি। তাদের আরও দাবি, বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ১৮ ধারায় প্রশাসকের ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির বিধান নেই। ফলে প্রায় দেড় বছরে প্রশাসকের অনুমোদনে যেসব নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তা বিধিবহির্ভূত হওয়ায় তারা ভোটার তালিকায় থাকার যোগ্য নন।