‘ওসমান হাদীকে ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচন না করার জন্য বারবার নিষেধ করেন জামায়াতের আমিরের পিএস পরিচয়দানকারী জুবায়ের নামক এক ব্যক্তি।’ এমনই মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান। ৯ জুলাই দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এমন দাবি করেন।
মুহাম্মদ রাশেদ খান লিখেছেন, ‘মায়ের থেকে মাসিমার দরদ বেশি? শহীদ ওসমান হাদীর পরিবারের থেকে জাবের ও জুমা কি শহীদ ওসমান হাদীকে বেশি ভালোবাসে? জাবের জুমা কখনো জামায়াতের সমালোচনা করেছে? কিন্তু তাদের বহু সমালোচনা তো বিএনপির বিরুদ্ধে গেছে। শহীদ ওসমান হাদী তো একজন সার্বজনীন মানুষ ছিলেন। ইনকিলাব মঞ্চ কি সেই সার্বজনীন চরিত্র ধরে রাখতে পেরেছে?’
আরও পড়ুন
বিস্ফোরক মন্তব্য রাশেদের / ‘গণঅভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়ান হান্নান মাসউদ’
তিনি লিখেছেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চ নিয়ে মূল সমস্যা হলো শহীদ ওসমান হাদীর ভাই প্রকৃত সত্য উন্মোচন করে দিয়েছে যে, ওসমান হাদীকে ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচন না করার জন্য বারবার নিষেধ করেন জামায়াতের আমিরের পিএস পরিচয়দানকারী জুবায়ের নামক এক ব্যক্তি। এরপর থেকে ইনকিলাব মঞ্চের জামায়াতপন্থী নেতৃবৃন্দরা শহীদ ওসমান হাদীর পরিবারকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে।’
রাশেদ খান লিখেছেন, ‘খেয়াল করে দেখুন, ওসমান হাদী শহীদ হওয়ার পরে ইনকিলাব মঞ্চকে একটি জামায়াতি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। এখানেই পরিবারের আপত্তি যে, আমার ভাইকে কেন জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার করা হবে? এ ছাড়া নির্বাচনের আগে ও পরে শহীদ ওসমান হাদীকে নিয়ে জাশি এমন ব্যবসা শুরু করেছে যে, মানুষ ভাবতে শুরু শুরু করেছে ওসমান হাদী হয়তো ওদের কেউ ছিল।’
আরও পড়ুন
ওসমান হাদির জন্মদিন কবে, জানালেন স্ত্রী
সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘মূলত ওসমান হাদী কখনোই জাশির সাথে সম্পর্ক রাখেনি। সে একজন সার্বজনীন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। কিন্তু ওসমান হাদীকেও দলীয়করণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। এটাতেই পরিবার ভেটো দিয়েছে! এতেই ওসমান হাদীর ভাই ও বোন শত্রু হয়ে গেছে.... আর আপন হয়ে গেছে জাশি! আহারে, হাদী ব্যবসায় ধস নামিয়ে দিলো শহীদ ওসমান হাদীর পরিবার।’
এসইউ








