পাবনা সদর উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী মঞ্জু শেখ (৩২) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ও চরতারাপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী জোতকাকুরিয়া কলাবাগান চরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। সূত্র জানায়, জোতকাকুড়িয়ার কলাবাগান চরে বালু উত্তোলন ও এলাকায় আধিপত্য নিয়ে বিএনপি নেতা রহমত শেখ ও ভাঁড়ারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। শুক্রবার সকালে বালু উত্তোলন নিয়ে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রতিপক্ষ গ্রুপের গুলিতে মঞ্জু ঘটনাস্থলে নিহত হন। মঞ্জু সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শেখ আব্দুর রউফের ভাতিজা। তার বাবার নাম দারোগা শেখ।

বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ জানান, চরতারাপুর ও ভাঁড়ারা এলাকার কয়েকজন বালু তুলতে গেলে আমার ভাতিজা মঞ্জু বাধা দেন। এ সময় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ভাঁড়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান বলেন, এর সঙ্গে আমার লোকজন জড়িত নয়। কারণ আমি বালু উত্তোলন পছন্দ করি না। পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মঞ্জু শেখের লাশ শনিবার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২৭ জনকে আসামি করে মঞ্জুর ভাই মামলা করেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই সদর উপজেলার খাসচর বলরামপুরের মজিদ প্রামাণিকের ছেলে জহুরুল ইসলাম এবং চরমধুপুরের ছমির খাঁর ছেলে ছমির খাঁকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এর সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।