পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা আর মানুষের লড়াই
·2 মিনিট পড়া
টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে নেমে এসেছে নানা ধরনের দুর্ভোগ। কোথাও পাহাড়ধসে বন্ধ হয়েছে সড়ক যোগাযোগ, কোথাও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সড়ক। বিশুদ্ধ পানির সংকটে আশ্রয়কেন্দ্রে লম্বা হচ্ছে মানুষের সারি, আবার ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে আতঙ্কে কাটছে অনেক পরিবারের দিন। পাহাড়, বৃষ্টি আর মানুষের লড়াই—সব মিলিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের এই কঠিন সময়ের চিত্র উঠে এসেছে ছবিতে।
পাহাড়ধসের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়কে অপেক্ষায় আটকে পড়া যানবাহন। রাঙামাটি সদর উপজেলার ঢেপ্পোছড়ি মুখ এলাকা, ৯ জুলাইপাহাড়ি ঢলে সড়ক ডুবে যাওয়ায় জরুরি প্রয়োজনে ভ্যানগাড়িতে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী এলাকা, খাগড়াছড়ি, ৯ জুলাইপাহাড়ধসের পর সড়কের দুই দিকে অপেক্ষায় দীর্ঘ যানজট। রাঙামাটি সদর উপজেলার ঢেপ্পোছড়ি মুখ এলাকা, ৯ জুলাইটানা বর্ষণে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বান্দরবানের এমডিএস এলাকা, ৯ জুলাইপাহাড়ি ঢলের পানিতে ডুবে যাওয়া সড়কে থমকে গেছে স্বাভাবিক চলাচল। বান্দরবান-রাঙামাটি সড়ক, ৯ জুলাইপাহাড়ি ঢলে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেওয়ায় পৌরসভার ট্যাংকার থেকে পানি সংগ্রহে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের ভিড়। শহর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বান্দরবান, ৯ জুলাইটানা বর্ষণে পাহাড়ের মাটি ধসে ঝুঁকির মুখে বসতঘর। আরও ধসের আশঙ্কায় আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা। কসাইপাড়া এলাকা, বান্দরবান-কেরানীহাট সড়ক, ৯ জুলাইপানিবন্দী অবস্থায় প্রসব বেদনায় কাতর এক নারীকে স্ট্রেচারে করে কাঁধে তুলে অ্যাম্বুলেন্সে পৌঁছে দিচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। পশ্চিম আমিরাবাদ খৈয়ারকুল গ্রাম, লোহাগাড়া, ৯ জুলাইঅব্যাহত বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বসতঘরগুলো নিয়ে উৎকণ্ঠায় স্থানীয় মানুষ। কসাইপাড়া এলাকা, বান্দরবান, ৯ জুলাই