মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট বিঘ্নিত হওয়ায় আকাশপথের ভাড়া বাড়লেও ২০২৬-এর প্রথম প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ কোটি ৭০ লাখে। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি, ৯ শতাংশ; যেখানে বাংলাদেশ থেকে বিদেশগামী পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ।
স্লো ট্রাভেলের বিস্ফোরণ ইউরোপ ও বলকান অঞ্চলের ট্রেনযাত্রার বুকিং এক বছরে বেড়েছে ২৫ শতাংশ। সুইজারল্যান্ডের গ্র্যান্ড ট্রেন ট্যুর, নরওয়ের ফ্ল্যাম রেলওয়ে আর নতুন চালু হওয়া বাল্টিক এক্সপ্রেস তরুণদের কাছে ইনস্টাগ্রাম-হিট। সময় বাঁচানোর বদলে ‘যাত্রাটাই গন্তব্য’—এই দর্শন এখন জনপ্রিয়।
প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক ওয়েলনেস বাজারে এখন জোয়ার। কানাডার বনের কেবিন, বালির যোগ রিট্রিট, ভুটানের মেডিটেশন ক্যাম্পে বুকিং ফুল। বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গল ও সাজেকের ইকো-রিসোর্টগুলোতেও ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ প্যাকেজের চাহিদা বেড়েছে ৩ গুণ।
ভিড় এড়াতে পর্যটকেরা খুঁজছেন ‘নন-ভাইরাল’ জায়গা। যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার বিগ স্কাই, ক্রোয়েশিয়ার ভিস দ্বীপ, জাপানের নাওশিমা আর বাংলাদেশের নিঝুম দ্বীপ ও টাঙ্গুয়ার হাওরের সার্চ বেড়েছে ৮০ শতাংশ!
২০২৬-এর জানুয়ারি-জুনে প্রায় ১৪ লাখ বাংলাদেশি বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, দুবাইয়ের পাশাপাশি এবার তুরস্ক, মিসর এবং মধ্য এশিয়ার উজবেকিস্তান-কাজাখস্তান রুটে চাহিদা বেড়েছে। ফিফা বিশ্বকাপ দেখতে অন্তত ৮ হাজার বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার ভিসা নিয়েছেন।
সুন্দরবনের ইকো-ভিলেজ, বান্দরবানের কমিউনিটি-রান হোমস্টে আর সিলেটের টি-এস্টেট রিট্রিটগুলোতে বিদেশি পর্যটক আসা শুরু হয়েছে।
লেখক: পর্যটনবিষয়ক প্রতিবেদক








