বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ পেতে বিগত ১৬ বছর অনেক ছাপাখানা মালিক বঞ্চিত হয়েছেন। তাদের আবারও মূলধারায় ফেরানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছর ধরে যারা রাজনৈতিক বা অন্য কোনো কারণে পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের আবারও মূলধারায় ফিরিয়ে আনা হবে। বৈধ উপায়ে তাদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
আরও পড়ুন
প্রকাশের আগেই প্রাথমিক বৃত্তির ফল ‘ফাঁস’, বিভ্রান্তিতে অভিভাবকরা
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাপাখানা মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোনো দেশেই এমনটি হয় না। কিন্তু এখানে ঘটেছে। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার কাজ শুরু করেছি। সামনের দিনগুলোতে যত সমস্যা রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সব সমাধান করা হবে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই যেন শিক্ষার্থীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত পাঠ্যবই হাতে পায়, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এতে কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না।
আরও পড়ুন
মাদরাসা বোর্ড / সকাল ৯টার মধ্যে কর্মীরা অফিসে না এলেই শাস্তি
মাহদী আমিন আরও বলেন, আমার জানামতে কখনো এনসিটিবিতে এভাবে মন্ত্রী, সচিব ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কেউ আসা সচরাচর ঘটে না। প্রথমবারের মতো ঘটলো। এর মূল কারণ হলো প্রধানমন্ত্রী এটা সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছেন। এ বছর সঠিকভাবে পাঠ্যবই ছাপিয়ে অনটাইম শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতেই হবে।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা।
এএএইচ/কেএসআর








