পৃথিবী সব সময় বিজয়ীকে কুর্নিশ করে। যেমন আর্লিং হলান্ড। নরওয়ের সোনার ডিম পাড়া হাঁস। মানে, গোলমেশিন। তার জোড়া গোলেই বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল। আর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় নরওয়ে। শেষ আটে নরওয়ে-ইংল্যান্ড ম্যাচে হলান্ড কী করেছেন কিংবা কী করেননি, তা এতক্ষণে জানা হয়ে গেছে সবার।

কোনো সন্দেহ নেই যে, ফুটবল দুনিয়ায় হলান্ডের নাম এখন সবার ঠোঁটস্থ। এদিকে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে তার জনপ্রিয়তা এমনই তুঙ্গে যে, তার নামে নবজাতকের নাম রাখার হিড়িক পড়ে গেছে। সেদেশে সদ্যোজাত ৪৬৮ শিশুর নাম রাখা হয়েছে তার নামের পদবি অনুসরণে-হলান্ড। আর ৯১ নবজাতকের পুরো নাম আর্লিং হলান্ড রাখার জন্য নিবন্ধন করা হয়েছে। পেরুর ফুটবলভক্তরা ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ডে মজেছেন। এর আগেও পেরুতে অন্য ফুটবল তারকাদের নামে নবজাতকের নাম রাখার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এবার বিশ্বকাপ শুরুর পর হলান্ডের নামে সন্তানের নাম রাখার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। নরওয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেওয়ার পর সেই সংখ্যা বেড়েছে হু হু করে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পেরুর মানুষ মেসির অন্ধভক্ত হয়ে ওঠে। সেসময় ৩,৪০২ জন শিশুর নাম মেসি রাখা হয়। শুধু তাই নয়, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে নিয়েও পেরুর ফুটবলভক্তরা কম মাতামাতি করেনি। রোনাল্ডোর নামে ১,১৮৫ পেরুর নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে। এমনকি, স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালের নামে ১,২৪১ নাম এবং ব্রাজিলের নেইমারের নামে রেকর্ড ৩৩,৮০৯ জন বাবা-মা তাদের সদ্যোজাত সন্তানের নাম রেখেছেন।