সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আবাসন খাতের চাহিদা ও চিন্তাভাবনায় আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। নাগরিক কোলাহল থেকে দূরে, অথচ উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার মধ্যে পরিকল্পিত আবাসন এখন সচেতন নগরবাসীর প্রধান পছন্দ।
দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আধুনিক আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে আবাসন কোম্পানিগুলো। এই ধারায় প্রবাসী পল্লী বর্তমানে তাদের অধীনে ‘পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী (নরসিংদী)’, ‘ঢাকা মাওয়া সিটি (নিমতলা, মুন্সিগঞ্জ)’ এবং ‘প্রবাসী পল্লী আবাসন (গাজীপুর)’ প্রকল্পের কাজ চলছে ।
এই প্রকল্পগুলোয় বর্তমানে সীমিতসংখ্যক ৩ ও ৫ কাঠা আয়তনের আবাসিক প্লট বিক্রয়ের জন্য রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য গ্রাহকদের কাছে পছন্দ হতে পারে। পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী প্রকল্পটি ঢাকা মহানগরীর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নরসিংদী সদরের আমদিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। রাজধানী ঢাকা, পূর্বাচল নতুন শহর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর সঙ্গে আছে যোগাযোগব্যবস্থা। প্রকল্পটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত।
একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ আবাসিক নগরী হিসেবে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী প্রকল্পটিতে ধাপে ধাপে আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রথম ধাপের ভূমি উন্নয়ন ও বালু ভরাটের কাজ চলছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পুরো প্রকল্পে ৫ হাজারের বেশি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় সাড়ে তিন কিলোমিটারের বেশি বিদ্যুৎ পোল এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সোলার ও এলইডি স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। বাসিন্দাদের সুরক্ষায় আছে আনসার বাহিনীসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী। অন্যদিকে কোম্পানির ‘ঢাকা মাওয়া সিটি’ প্রকল্পেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবকাঠামো ও প্লট উন্নয়নের কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ প্রধান ও উপসড়কগুলো ন্যূনতম ২৫ ফুট প্রশস্ত হবে। এ ছাড়া ৪০, ৬০ ও ৮০ ফুট চওড়া সড়ক নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাস্টারপ্ল্যানে ভবিষ্যৎ নাগরিক সুবিধার জন্য আলাদা জমি রাখা হয়েছে, যার মধ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, পার্ক, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা, শিশুদের খেলার মাঠ, কাঁচাবাজার, বাণিজ্যিক কেন্দ্র, কমিউনিটি–সুবিধা এবং সুইমিংপুল। পাশাপাশি সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংযোগের পরিকল্পনাও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রায় ৯ হাজার ৬০০ বিঘা প্রস্তাবিত জমির ওপর ধাপে ধাপে এই বৃহৎ আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নিবন্ধিত। তা ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, তিতাস গ্যাস, পানি উন্নয়ন বোর্ড, টিঅ্যান্ডটি ও আরইবি থেকে প্রয়োজনীয় সব ছাড়পত্র ও অনুমোদন গ্রহণ করা হয়েছে। ক্রেতাদের শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস খতিয়ান, নামজারি ও দলিলসহ সব আইনি নথিপত্র ক্রয়ের আগেই যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়া হয় ।
গ্রাহকদের আর্থিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে এককালীন মূল্যের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে প্লট কেনার সুযোগ আছে। বুকিং ও
বরাদ্দ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সর্বোচ্চ ছয় বছরের মধ্যে প্লটের রেজিস্ট্রেশন ও দখল হস্তান্তর করা হবে।







