দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও প্রান্তিক পোলট্রি খামারিদের অস্তিত্ব রক্ষা এবং সাধারণ ভোক্তার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে ডিম ও মুরগি নিশ্চিত করতে নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিআইএ)। তারা প্রধানমন্ত্রী বরাবর ১১ দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনের আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কয়েকশ খামারির উপস্থিতিতে মানববন্ধন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন সংগঠনের সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী, মহাসচিব সাফির রহমান, কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদার প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে মোশারফ হোসেন বলেন, দেশের হাজার হাজার ডিম উৎপাদনকারী খামারি দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ডিম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রতিদিন তারা লোকসান গুনছেন, ক্রমে ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন, অনেকেই লোকসানের বোঝা টানতে না পেরে খামার বন্ধ করে দিচ্ছেন-এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশের ডিম উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উৎপাদন খরচ বিবেচনা করে এমন মূল্য নির্ধারণ করতে হবে, যাতে খামারিরা অন্তত ন্যায্য মুনাফা পান এবং উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারেন।

মহাসচিব সাফির রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের অভাবে পোলট্রি খাতে সুফল পাওয়া যায় না। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে জাতীয় পোলট্রি বোর্ড গঠন করা হোক। উৎপাদন খরচ কমাতে পারলে এক দশকে পোলট্রি খাত সফল শিল্প খাতে পরিণত হবে। কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদার বলেন, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির কারণে বড় করপোরেট কোম্পানির একটি ডিমের উৎপাদন খরচ যেখানে প্রায় ৭ টাকা, সেখানে একজন প্রান্তিক খামারির খরচ পড়ে ১০ টাকার বেশি।