চট্টগ্রামে নবগঠিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর কোনো বিশেষ মহলের ব্যক্তিগত স্বার্থ বা ষড়যন্ত্রের ভিত্তিতে নয়, বরং গণশুনানির সুপারিশ অনুযায়ী ভৌগোলিকভাবে উপজেলার মাঝ বরাবর ‘নারায়ণহাটে’ স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন উত্তর ফটিকছড়ির সর্বস্তরের জনগণ। শনিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘উত্তর ফটিকছড়ির সচেতন নাগরিক পরিষদ, ঢাকা’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, বিদ্যমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদরের সঙ্গে অবস্থানগত দুরত্বের কারণে উত্তর ফটিকছড়ির জনগণ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রে বৈষম্য ও অবহেলার শিকার হয়ে আসছিলেন। নতুন উপজেলা গঠনের দীর্ঘদিনের ন্যায়সংগত দাবি স্বীকৃতি পেয়েছে।
তিনি বলেন, ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর অবশ্যই গণশুনানির সুপারিশ ও জনমত অনুযায়ী ‘নারায়ণহাটে’ স্থাপন করতে হবে। কারণ নারায়ণহাট ভৌগোলিক দিক থেকে উপজেলার মাঝ বরাবর অবস্থিত, যা সব ইউনিয়নের মানুষের জন্য সহজ যোগাযোগ সমৃদ্ধ ও ভারসাম্যপূর্ণ একটি স্থান। গণশুনানির রায় উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে উত্তরাঞ্চলের জনগণ তা কখনোই মেনে নেবে না।








