প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সারা দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষকদের সম্মানী পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকারের সময় শুধু বিল্ডিং হয়েছে; কিন্তু হিউম্যান রিসোর্সের কোনো উন্নতি হয়নি। আমরা যদি আমাদের প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি শিক্ষকদের সঠিকভাবে ট্রেনিং দিতে না পারি, শুধু ট্রেনিং নয়, ট্রেনিংয়ের সাথে তাদের সম্মানী যদি বৃদ্ধি করতে না পারি, তাহলে আমরা তাঁদের কাছ থেকে ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারি না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের সেকেন্ডারি এবং প্রাইমারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। একই সাথে পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা শিক্ষকদের সম্মানী বাড়ানো প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি। এ কাজটি অবশ্যই করব ইনশা আল্লাহ।’
আজ বুধবার বিকেলে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা সংসদকে জানান।
কেন শিক্ষকদের সম্মানী বাড়ানো প্রয়োজন, তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অনেক সময় দেখেছি, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকেরা তাড়াতাড়ি ক্লাস করেন হয়তো আরেকটি সেকেন্ডারি কোনো জবে অথবা কৃষিকাজে যেটাই হোক, একটি সেকেন্ড জবে তাঁকে যেতে হয়। তা না হলে তাঁর জন্য সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে যায়।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেকেন্ডারি স্কুলের ক্ষেত্রেও আমরা দেখেছি, এ রকম ঘটনা ঘটে। এই কাজ যাতে শিক্ষকদের না করতে হয় এবং তাঁরা যাতে সঠিকভাবে তাঁদের সময় এবং তাঁদের মেধা শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করতে পারেন, সে জন্য তাঁদের সম্মানী বাড়ানো প্রয়োজন।’
জার্মানিতে পড়তে কোন কোন পরীক্ষা প্রয়োজন, জেনে নিন ২০২৬ সালের নিয়মচলতি বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ শিক্ষা খাতে দেওয়ার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বেলা তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কর্মসূচিতে প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব। এ সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী চারজন সংসদ সদস্যের তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন এবং নয়জন সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ১ কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে ড্রেস ও স্কুলব্যাগ দেওয়া হবে।’
সংসদ সদস্য শাম্মী আখতারের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদের স্কুলড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। একই সাথে তাদের স্কুলব্যাগও দেব।’ তিনি বলেন, ‘আমি সংসদে সকল সংসদ সদস্যকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে সমগ্র বাংলাদেশের সরকারি প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এই ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ কোটি ২০ লাখের মতো ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত বাচ্চাদের স্কুলড্রেস প্রদানের পরিকল্পনার ভেতর নিয়ে আসব পর্যায়ক্রমে। সকল সংসদ সদস্যের এলাকাতেই আমরা যাব ইনশা আল্লাহ এবং সকল বাচ্চার কাছেই আমরা পৌঁছানোর চেষ্টা করব।’
এইচএসসি ২০২৬—বাংলা প্রথম পত্রে প্রশ্নের উত্তর কী, নম্বর দেওয়া যাবে জানাল শিক্ষা বোর্ড







